বলিউডের ছবি 'শোলে' ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তি পেয়েছিল। এই ছবির মাধ্যমেই লেখা হয়েছিল ভারতের চলচ্চিত্র ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়। এ বছর ৪০ বছর পূর্ণ করেছে ছবিটি। জেনে নেয়া যাক ছবিটি সম্পর্কে অজানা কয়েকটি তথ্য-
১. সেলিম খানের বাবা বলদেব সিং চরকের নামে সঞ্জীব কুমারের চরিত্রের নাম রাখা হয় ঠাকুর বলদেব সিং।
২. ঠাকুর বলদেব সিংয়ের চরিত্রে অভিনয় করতে ইচ্ছুক ছিলেন ধর্মেন্দ্র। রমেশ সিপ্পি যখন বলেন বিরুর চরিত্রে অভিনয় করবেন কুমার, ধর্মেন্দ্র তখন রাজি হয়ে যান। হেমা মালিনীর প্রেমে তখন পাগল ছিলেন ধর্মেন্দ্র।
৩. শোলের শুটিং শুরুর আগে হেমা মালিনীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন সঞ্জীব কুমার। হেমা মালিনী জানিয়ে দেন ছবিতে যেন সঞ্জীব কুমারের সঙ্গে তার কোনও দৃশ্য না থাকে।
৪. গব্বর সিংয়ের চরিত্রের জন্য আমজাদ খানের গলার আওয়াজ পছন্দ হয়নি জাভেদ আখতারের। তাই ছবি থেকে বাদ পড়তে চলেছিলেন আমজাদ খান।
৫. পারিশ্রমিক হিসেবে একটি রেফ্রিজারেটর পেয়েছিলেন সচিন।
৬. টানা ২০ দিন ধরে শুটিং হয়েছিল ট্রেনে ডাকাতি দৃশ্যের।
৭. জয়ের চরিত্রের জন্য প্রথম পছন্দ ছিল শত্রুঘ্ন সিনহা। কিন্তু অমিতাভ বচ্চন প্রযোজকদের বোঝান উনিই এই চরিত্রের জন্য সেরা।
৮. সাম্বার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ২৭ বার বম্বে থেকে ব্যাঙ্গালোরে যাতায়াত করেন ম্যাক মোহন। গোটা ছবিতে একটাই আইকনিক সংলাপ ছিল তার, "পুরে পচাশ হাজার।"
৯. মোটামুটি ৩ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি হয়েছিল শোলে।
১০. মেহবুবা মেহবুবা গানটি গাওয়ার কথা ছিল মান্না দে-র। কিন্তু, আর ডি বর্মনের গলায় রেকর্ড হওয়ার পর তা এতই পছন্দ হয় মান্না দে-র যে উনি নিজেই বলে দেন ওটাই চূড়ান্ত।
১১. কয়েন টস করার দৃশ্যের জন্য বানানো হয়েছিল ৬টি বিশেষ কয়েন।
১২. প্রায় ২০ দিন লেগেছিল সূর্যাস্তের পর রাধার প্রদীপ জ্বালানোর দৃশ্যের শুট করতে। কিন্তু ছবিতে তা ছিল মাত্র ২ মিনিট।
১৩. ছবির কাজ সম্পূর্ণ হতে লেগেছিল আড়াই বছর।

