সাভারে নির্মাণাধীন ভবনের বাঁশের আঘাতে অধরা নামে ছয় বছর বয়সী এক মেয়ে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় সাভারের রাজ ফুলবাড়ীয়ার শোভাপুর এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের বাঁশ অধরার মাথার ওপর পড়লে সে আঘাত পায়।
পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টার দিকে শিশু অধরা মারা যায়।
অধরার বাবা রহিদুল সরকার বাংলানিউজকে বলেন, ‘স্থানীয় ইয়াহিয়া খান নামে এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন বাড়ির তৃতীয় তলায় নির্মাণ কাজ চলছিলো। ছাদের সঙ্গে ঠেকা দেওয়া একটি বাঁশের খাম হঠাৎ ছুটে গিয়ে নিচে দাঁড়িয়ে থাকা অধরার মাথার ওপর পড়লে সে গুরুতর আহত হয়।’
সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে সাভার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি।
এ ঘটনায় বাড়ির মালিক ইয়াহিয়া খান আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানান নিহত অধরার বাবা রহিদুল সরকার।
রহিদুলের গ্রমের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। তিনি পেশায় একজন গার্মেন্টস কর্মী।
সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় সাভারের রাজ ফুলবাড়ীয়ার শোভাপুর এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের বাঁশ অধরার মাথার ওপর পড়লে সে আঘাত পায়।
পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১২টার দিকে শিশু অধরা মারা যায়।
অধরার বাবা রহিদুল সরকার বাংলানিউজকে বলেন, ‘স্থানীয় ইয়াহিয়া খান নামে এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন বাড়ির তৃতীয় তলায় নির্মাণ কাজ চলছিলো। ছাদের সঙ্গে ঠেকা দেওয়া একটি বাঁশের খাম হঠাৎ ছুটে গিয়ে নিচে দাঁড়িয়ে থাকা অধরার মাথার ওপর পড়লে সে গুরুতর আহত হয়।’
সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে সাভার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি।
এ ঘটনায় বাড়ির মালিক ইয়াহিয়া খান আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানান নিহত অধরার বাবা রহিদুল সরকার।
রহিদুলের গ্রমের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। তিনি পেশায় একজন গার্মেন্টস কর্মী।
