কামালপুর স্থল বন্দরে ইমিগ্রেশন চালু হলে বকশীগঞ্জ জেলা হওয়ার দ্বার খুলে যাবে।

G M Fatiul Hafiz Babu
বকশীগঞ্জ জেলা চাই। এ দাবি এখন গণ দাবিতে পরিণত হয়েছে। দিন দিন এ দাবির প্রতি মানুষের সমর্থন বাড়ছেই। বকশীগঞ্জ, রাজিবপুর, রৌমারী ও সানন্দবাড়ি এলাকার মানুষের প্রাণের দাবি বকশীগঞ্জ জেলা চাই। গত পর্বে বকশীগঞ্জ জেলা চাই কেন এ নিয়ে অনেক কিছুই লেখা হয়েছে। মোটামুটি ভাবে জেলা হতে সব কিছুই বকশীগঞ্জে বিদ্যমান রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম কামালপুর স্থল বন্দর। কামালপুর স্থল বন্দর থেকে সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় করছে।
কামালপুর স্থল বন্দরটিতে ইমিগ্রেশন চালু হলে পাল্টে যাবে পুরো বকশীগঞ্জের চিত্র। বকশীগঞ্জ এখন হিসেব করা এলাকার মধ্যে একটি। বকশীগঞ্জ উপজেলার কতিপয় ব্যক্তিরা এর উন্নয়নে ব্যাপক ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারমধ্যে বিশিষ্ট বর্তমান সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, সাবেক মন্ত্রী এমএ সাত্তার, মুক্তিযোদ্ধা ও শিল্পপতি মাহবুবুল হক বাবুল চিশতী, পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মোখলেসুর রহমান পান্না , উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুরর রউফ তালুকদার অন্যতম।
তিনি বকশীগঞ্জ জেলা করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে অনেক শিল্প কারখানা তার নেতৃত্বেই গড়ে উঠেছে।
যাই হোক কামালপুরে ইমিগ্রেশন চালু হলে বকশীগঞ্জ জেলা হওয়ার দ্বার খুলে যাবে। এটি একটি সম্ভা্বনাময় বন্দর । এ বন্দর দিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে আসছে।
দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা এর গুরুত্ব বুঝে কামালপুরে ঘুঁটি বাধছেন। এসব ব্যবসায়ীরাও চান বকশীগঞ্জ জেলা হোক।
একটু চেষ্টা, একটু সম্মিলিত ভাবে চেষ্টা করলে এ উপজেলা পদোন্নতি পেতে পারেন।

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top