প্রাচীন মিশর সর্বদাই গবেষকদের কাছে বিস্ময়। এবার গবেষকদের চোখ কপালে তুলল দু'টি মিশরীয় মমি। সাড়ে ৩ হাজার বছর পরেও মমিগুলির প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রতঙ্গ অবিকৃত। অক্ষত চোখের মণি, যৌনাঙ্গও। কোন রসায়নে এটা সম্ভব? তারই উত্তর খুঁজছেন গবেষকরা।
গবেষকরা জানাচ্ছেন, ওয়াশিংটনের জাদুঘরের এই দু'টি মমি অষ্টাদশ শতকের মিশরীয় ভাস্কর খা ও তাঁর স্ত্রী মেরিটের। খা ছিলেন রাজপরিবারের ভাস্কর। তাদের আত্মীয়রা খুব ধনী হলেও মৃত্যুর সময় দু'জনকে খুব সাধারণ মমি তৈরি করে কবর দেওয়া হয়। কিন্তু এমন কিছু রাসায়নিক তাদের দেহে মাখানো হয়েছিল, যে সাড়ে ৩ হাজার বছর পরেও শরীরে র প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রতঙ্গ অবিকৃত রয়েছে।
গবেষকরা বলছেন, মমি দু'টির ব্রেন, যৌনাঙ্গ, চোখের মণি, স্নায়ু ও কিছু পেশি এখনও অক্ষত। সবই আলাদা জারে রাসায়নিক মাখিয়ে সংরক্ষণ করা রয়েছে মমির ভিতর। এক্স রে করে দেখা গিয়েছে, অসাধারণ বৈজ্ঞনাকি পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়েছিল অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনসেক্টিসিডাল রসায়ন। এমন রয়াসন বর্তমান চিকিত্সা বিজ্ঞানীরাও তৈরি করতে পারেননি। - সূত্র : এই সময়
গবেষকরা জানাচ্ছেন, ওয়াশিংটনের জাদুঘরের এই দু'টি মমি অষ্টাদশ শতকের মিশরীয় ভাস্কর খা ও তাঁর স্ত্রী মেরিটের। খা ছিলেন রাজপরিবারের ভাস্কর। তাদের আত্মীয়রা খুব ধনী হলেও মৃত্যুর সময় দু'জনকে খুব সাধারণ মমি তৈরি করে কবর দেওয়া হয়। কিন্তু এমন কিছু রাসায়নিক তাদের দেহে মাখানো হয়েছিল, যে সাড়ে ৩ হাজার বছর পরেও শরীরে র প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রতঙ্গ অবিকৃত রয়েছে।
গবেষকরা বলছেন, মমি দু'টির ব্রেন, যৌনাঙ্গ, চোখের মণি, স্নায়ু ও কিছু পেশি এখনও অক্ষত। সবই আলাদা জারে রাসায়নিক মাখিয়ে সংরক্ষণ করা রয়েছে মমির ভিতর। এক্স রে করে দেখা গিয়েছে, অসাধারণ বৈজ্ঞনাকি পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়েছিল অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনসেক্টিসিডাল রসায়ন। এমন রয়াসন বর্তমান চিকিত্সা বিজ্ঞানীরাও তৈরি করতে পারেননি। - সূত্র : এই সময়

