জেলায় ডিবি পুলিশের সঙ্গে ডাকাত দলের ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আবদুল কাদের (৩৫) নামে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের এক সদস্য নিহত হয়েছে। নিহত ওই ডাকাত জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ভড়নীখণ্ড গ্রামের শাহাদাত্ হোসেনের ছেলে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাইক্রোবাস-অস্ত্র-গুলিসহ ৮ ডাকাত সদস্যকে আটক করে। এ ঘটনায় ৩ পুলিশ ও ৩ ডাকাতসহ ৬ জন আহত হয়েছে। শনিবার ভোর রাতে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার পেরুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কুমিল্লা-নোয়াখালী সড়কের জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার পেরুল এলাকায় ১০/১৫ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় ওই সড়কে টহলরত জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এসআই শাহ কামাল আকন্দ ও এসআই সহিদুল ইসলামসহ অন্য সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ডাকাত দলের সাথে তাদের গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ডাকাত আবদুল কাদের মারা যান।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতির জন্য ব্যবহূত মাইক্রোবাস, অস্ত্র ও গুলিসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার গোয়ালিয়ারা গ্রামের নেয়ামত উল্লাহ (৩৪), দিশাবন্দ গ্রামের সহিদুল ইসলাম (৩৫), একই গ্রামের সৌরভ চৌধুরী (১৮), জামাল উদ্দিন (২৫), তাহেরপুর গ্রামের জুয়েল (২০), একই গ্রামের বাবলু (৩০), জেলার চান্দিনা উপজেলার খৈচাড়া গ্রামের নোমান মিয়া (২৯), চাঁদপুর জেলা সদরের ষোলঘর গ্রামের জাহাঙ্গীর গাজীকে (৩০) আটক করা হয়।
এ সময় ডিবির এসআই শাহ কামাল আকন্দ, এএসআই মাহফুজুর রহমান, কনস্টেবল স্বপন কুমার দেসহ ৩ পুলিশ আহত হন এবং ডাকাতদের মধ্যে পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন নেয়ামত উল্লাহ, সৌরভ ও জাহাঙ্গীর। আহতরা কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। ডিবির এসআই মো. শাহ কামাল আকন্দ জানান, এ ঘটনায় ডাকাতি, হত্যা ও অস্ত্র আইনে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা হয়েছে।

