জামালপুরের বকশীগঞ্জে পুলিশের হস্তক্ষেপে কুলসুম বেগম নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে। সে বাট্টাজোড় নগর মামুদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
শুক্রবার রাতে কুলসুমের বিয়ে হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ বিয়ে বাড়িতে উপসি'ত হয়ে বাল্যবিয়েটি বন্ধ করে দেন।
জানাগেছে, উপজেলার বাট্রাজোর ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল কাইয়ূমের সপ্তম শ্রেণিতে পড়-য়া কন্যা কুলসুম বেগমের (১৩) সাথে বকশীগঞ্জ পৌর শহরের গোয়ালগাঁও পূর্বপাড়া এলাকার ফয়েজ আলীর ছেলে এনএম উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্র নাজমুল হাসানের (১৪) বিয়ে ঠিক হয়। শুক্রবার রাতে বর পক্ষে লোকজন কনে বাড়িতে যায়। এমন সংবাদে পুলিশ বাড়িতে হানা দিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন।
বকশীগঞ্জ থানার ওসি মোস্তাছিনুর রহমান বাল্যবিয়ে বন্ধের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার রাতে কুলসুমের বিয়ে হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ বিয়ে বাড়িতে উপসি'ত হয়ে বাল্যবিয়েটি বন্ধ করে দেন।
জানাগেছে, উপজেলার বাট্রাজোর ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল কাইয়ূমের সপ্তম শ্রেণিতে পড়-য়া কন্যা কুলসুম বেগমের (১৩) সাথে বকশীগঞ্জ পৌর শহরের গোয়ালগাঁও পূর্বপাড়া এলাকার ফয়েজ আলীর ছেলে এনএম উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্র নাজমুল হাসানের (১৪) বিয়ে ঠিক হয়। শুক্রবার রাতে বর পক্ষে লোকজন কনে বাড়িতে যায়। এমন সংবাদে পুলিশ বাড়িতে হানা দিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন।
বকশীগঞ্জ থানার ওসি মোস্তাছিনুর রহমান বাল্যবিয়ে বন্ধের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।