নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
বকশীগঞ্জের কামালপুর স্থলবন্দরের আমদানি রফতানিকারক সমিতির অর্থ লুটপাটের অভিযোগে আমদানীকারকরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। এ কারণে নতুন একটি দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি গঠন কে কেন্দ্র করে উভয় গ্রপের মধ্যে টান টান উত্তেজনার পর বর্তমানে বন্দরে আমদানি-রপ্তানিতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
কয়েকজন আমদানি কারক অভিযোগ করেন , কামালপুর স'লবন্দরে আমাদানী রপ্তানী কারক সমিতির কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল-মোকাদ্দেস রিপন ও সাধারণ সম্পাদক হাসান জোবায়ের হিটলারের সমঝোতার ভিত্তিতে তারা সমিতির লক্ষ লক্ষ টাকা লুটপাট করেছেন।
আমদানিকারকরা জানায়, সমিতির নামে ১ কোটি ৪৭ টাকার কোন হিসাব দিতে পাচ্ছে না বর্তমান সমিতি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
এ টাকার আয়ের উৎস হিসাবে নতুন ৭২ জন সদস্য ভর্তি ফি বাবদ ৫০ হাজার টাকা করে ৩১ লক্ষ, বহিরাগত আদা ও সুপারী আমদানী কারকদের নিকট ১৪ লক্ষ, ২১ হাজার মেট্রিক টন পাথর কয়লা আমদানী বাবদ প্রতিটনে ২০০ টাকা হারে ৪২ লক্ষ, ও পুর্বে জমাকৃত ৯ লক্ষ টাকার কথা উল্লেখ করেন। আমদানী ও রপ্তানি কারক সমিতির নামে লক্ষ লক্ষ টাকা নয়ছয়ের পরেও গ্রামীন ব্যাংক কামালপুর শাখা হতে ১৩ জানুয়ারী/২০১৫ থেকে ২১ জানুয়ারী/২০১৫ পর্যন্ত ১০টি চেকের মাধ্যমে সমস্ত টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে বর্তমান কমিটির উপর।
এ কারণে ৩১ জুলাই গত শুক্রবার বর্তমান কমিটির দুর্নীতির প্রতিবাদের গোলাম রসুল সেতুকে আহবায়ক ও জিয়াউল হক জিয়াকে যুগ্ন-আহবায়ক করে ৫৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিরোধ কমিটি ঘোষনা করা হয়। ওইদিন সকালে নতুন ওই কমিটির সদস্যরা কামালপুর স'লবন্দরে একটি প্রতিবাদ সভা করার ঘোষনা দেয়। অপরদিকে বর্তমান কমিটিও পাল্টা কর্মসূচী ঘোষনা করে। এ নিয়ে উভয় পক্ষই কর্মসূচি পালনে অনড় অবস'ানে থাকায় কামালপুর স্থলবন্দরে দেখা দেয় চরম উত্তেজনা।
পরে এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা ও বন্দরের উন্নয়নের স্বার্থে জেলা পুলিশ সুপার নিজাম উদ্দিনের উদ্যোগে উভয় পক্ষকে নিয়ে কামালপুর স'ল বন্দর এলাকার রিমি ভিলায় একটি সমঝোতা বৈঠক করে।
এ সময় সবার ঐক্যমতের ভিত্তিতে উভয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করে একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠন কালে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মাহাবুবুল হক চিশতি (বাবলু চিশতি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার নার্গিস পারভীন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাছিনুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিজয়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী নুরুল আমিন ফুরকান, আওয়ামীলীগের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক গোলাম মোস'ফা মিল্লাত উপসি'ত ছিলেন।
পরে উপসি'ত সকল সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে পুর্বের উভয় কমিটির কার্যক্রম স'গিত করে কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরহাদ হোসেনকে আহ্বায়ক করে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটিতে এলাকার সাংবাদিকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদেরও অন্তভুক্ত করা হয়। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে একটি গঠনতন্ত্র ও ভোটার তালিকা প্রনয়ণ করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
এই বন্দরের কার্যক্রম সচল করতে হলে অনতিবিলম্বে একটি বৈধ আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতি গঠন জুরুরী ।
বকশীগঞ্জের কামালপুর স্থলবন্দরের আমদানি রফতানিকারক সমিতির অর্থ লুটপাটের অভিযোগে আমদানীকারকরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। এ কারণে নতুন একটি দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি গঠন কে কেন্দ্র করে উভয় গ্রপের মধ্যে টান টান উত্তেজনার পর বর্তমানে বন্দরে আমদানি-রপ্তানিতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
কয়েকজন আমদানি কারক অভিযোগ করেন , কামালপুর স'লবন্দরে আমাদানী রপ্তানী কারক সমিতির কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল-মোকাদ্দেস রিপন ও সাধারণ সম্পাদক হাসান জোবায়ের হিটলারের সমঝোতার ভিত্তিতে তারা সমিতির লক্ষ লক্ষ টাকা লুটপাট করেছেন।
আমদানিকারকরা জানায়, সমিতির নামে ১ কোটি ৪৭ টাকার কোন হিসাব দিতে পাচ্ছে না বর্তমান সমিতি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
এ টাকার আয়ের উৎস হিসাবে নতুন ৭২ জন সদস্য ভর্তি ফি বাবদ ৫০ হাজার টাকা করে ৩১ লক্ষ, বহিরাগত আদা ও সুপারী আমদানী কারকদের নিকট ১৪ লক্ষ, ২১ হাজার মেট্রিক টন পাথর কয়লা আমদানী বাবদ প্রতিটনে ২০০ টাকা হারে ৪২ লক্ষ, ও পুর্বে জমাকৃত ৯ লক্ষ টাকার কথা উল্লেখ করেন। আমদানী ও রপ্তানি কারক সমিতির নামে লক্ষ লক্ষ টাকা নয়ছয়ের পরেও গ্রামীন ব্যাংক কামালপুর শাখা হতে ১৩ জানুয়ারী/২০১৫ থেকে ২১ জানুয়ারী/২০১৫ পর্যন্ত ১০টি চেকের মাধ্যমে সমস্ত টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে বর্তমান কমিটির উপর।
এ কারণে ৩১ জুলাই গত শুক্রবার বর্তমান কমিটির দুর্নীতির প্রতিবাদের গোলাম রসুল সেতুকে আহবায়ক ও জিয়াউল হক জিয়াকে যুগ্ন-আহবায়ক করে ৫৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিরোধ কমিটি ঘোষনা করা হয়। ওইদিন সকালে নতুন ওই কমিটির সদস্যরা কামালপুর স'লবন্দরে একটি প্রতিবাদ সভা করার ঘোষনা দেয়। অপরদিকে বর্তমান কমিটিও পাল্টা কর্মসূচী ঘোষনা করে। এ নিয়ে উভয় পক্ষই কর্মসূচি পালনে অনড় অবস'ানে থাকায় কামালপুর স্থলবন্দরে দেখা দেয় চরম উত্তেজনা।
পরে এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা ও বন্দরের উন্নয়নের স্বার্থে জেলা পুলিশ সুপার নিজাম উদ্দিনের উদ্যোগে উভয় পক্ষকে নিয়ে কামালপুর স'ল বন্দর এলাকার রিমি ভিলায় একটি সমঝোতা বৈঠক করে।
এ সময় সবার ঐক্যমতের ভিত্তিতে উভয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করে একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠন কালে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মাহাবুবুল হক চিশতি (বাবলু চিশতি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার নার্গিস পারভীন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাছিনুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিজয়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী নুরুল আমিন ফুরকান, আওয়ামীলীগের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক গোলাম মোস'ফা মিল্লাত উপসি'ত ছিলেন।
পরে উপসি'ত সকল সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে পুর্বের উভয় কমিটির কার্যক্রম স'গিত করে কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরহাদ হোসেনকে আহ্বায়ক করে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটিতে এলাকার সাংবাদিকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদেরও অন্তভুক্ত করা হয়। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে একটি গঠনতন্ত্র ও ভোটার তালিকা প্রনয়ণ করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
এই বন্দরের কার্যক্রম সচল করতে হলে অনতিবিলম্বে একটি বৈধ আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতি গঠন জুরুরী ।