রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে শৃঙ্খলা আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আর এ জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সরকারি ও ব্যক্তিগত কাজে বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে সমপ্রতি দুটি আলাদা ফরমের খসড়া তৈরি করেছে। সে অনুযায়ী বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মকর্তাদের ১৮ ধরনের তথ্য প্রদান করতে হবে।
তথ্যগুলো হলো—ভ্রমণকারীর আয়ের উত্স কী, বিদেশে কোথায় থাকবেন, খরচ কে বহন করবে, পরিবারের কোনো সদস্য সঙ্গে গেলে তার সঙ্গে সম্পর্ক কী ও তার খরচ কে বহন করবে, এক বছরে কোন কোন দেশ ভ্রমণ করেছেন, বিদেশে থাকা অবস্থায় বিকল্প কর্মকর্তা কে হবেন ইত্যাদি। এ ছাড়া আবেদনকারীর নাম, আইডি নম্বর, পদবি, বেতন ধাপ, জন্ম তারিখ, পাসপোর্ট নম্বর, ভ্রমণের উদ্দেশ্য, মেয়াদকাল, পাওনা ছুটির কথাও বলতে হবে।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এম আসলাম আলম বলেছেন, বিদেশ ভ্রমণে শৃঙ্খলা আনার জন্য আমরা উদ্যোগটি নিয়েছি। বর্তমানে ফাইল প্রক্রিয়ায় সময় লাগে ১৫ দিন, নতুন নিয়মে এক দিনের বেশি লাগবে না।’
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে—বিশেষ বিশেষ মৌসুমে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের বিদেশ যাওয়া বেড়ে যায়। চিকিত্সার জন্য সারা বছরই আবেদন থাকে, তবে ছেলেমেয়েদের স্কুল-কলেজে ছুটির সময় ও হজের মৌসুমে আবেদন পড়ে বেশি।
সূত্র জানায়—বিদেশ ভ্রমণের জন্য বর্তমানে একেকজন একেকভাবে আবেদন করেন, যাতে আবার প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি থাকে। সে জন্য ফাইল ফেরতও পাঠাতে হয়।

