বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুর চর ইউনিয়ন পরিষদে যেতে হাসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের এ রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টি হলেই এরকম রূপ ধারণ করেন। এই সময়ে এই রাস্তা দিয়ে গেলে পায়ের জিনিস দুটি হাতে নিতেই হবে। তানা হলে বড় ধরনের ব্যায়াম হতে পারে।
স্থানীয়দের অভিযোগ মেরুরচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা সাহেব গত ৬ মাসে এ রাস্তাদিয়ে আসেন নি। তিনি নাকি ইউনিয়ন পরিষদের সকল কাযক্রম বকশীগঞ্জে করেন। জনগণ মরুক আর বাচুক সেদিকে তার খেয়াল নেই। যখন একটি সিগনেচার দরকার তখন মেরুর চর বাসীকে এ রাস্তাদিয়ে যাওয়া ছাড়া আর উপায় নেই । কা্জেই ব্যায়াম হোক আর পায়ের জিনিস হাতে তোলাই হোক যেকোন একটি করতেই হবে।
এ হল সাধারণ মানুষের কথা । মেরুর চর হাসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা না হয় নাই বল্লাম।
স্থানীয়দের অভিযোগ মেরুরচর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা সাহেব গত ৬ মাসে এ রাস্তাদিয়ে আসেন নি। তিনি নাকি ইউনিয়ন পরিষদের সকল কাযক্রম বকশীগঞ্জে করেন। জনগণ মরুক আর বাচুক সেদিকে তার খেয়াল নেই। যখন একটি সিগনেচার দরকার তখন মেরুর চর বাসীকে এ রাস্তাদিয়ে যাওয়া ছাড়া আর উপায় নেই । কা্জেই ব্যায়াম হোক আর পায়ের জিনিস হাতে তোলাই হোক যেকোন একটি করতেই হবে।
এ হল সাধারণ মানুষের কথা । মেরুর চর হাসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কথা না হয় নাই বল্লাম।
