শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন: শিক্ষামন্ত্রী‘প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য যে নতুন প্রজন্মের প্রয়োজন, সেই প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তন’ বলেছেন, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বুধবার সকালে আয়োজিত ডিজিটাল এডুকেশনের ওপর প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যাকবন ফাউন্ডেশন, সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি ও ঢাবির উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান ও সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলদেশস্থ জাপানের অ্যাম্বাসেডর মাসাতো ওয়াতানাবে। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাপানের হিতোতসুবাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইয়োনেকুরা সেইছিরো অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘সকলের জন্য আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্যে নতুন প্রজন্মকে মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। তা না করতে পারলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এমনকি ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করাও সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার প্রতিটি পর্যায়েই এজন্য কম্পিউটারনির্ভর প্রযুক্তির জ্ঞানদানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আমাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তন ঘটাতে হবে। নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে আমাদের সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এক সময় এদেশের মানুষের জীবন ছিল রিলিফ নির্ভর। প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে এদেশের কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জনের পাশাপাশি প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাদ্য বিদেশেও রফতানি করতে পারছি। অন্যান্য দেশের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময়ে তাদেরকে সাহায্যও করতে পারছি।
তিনি বলেন, ২০১৬ সালের পরে বাংলাদেশের একটি গ্রামও বিদ্যুৎহীন থাকবে না। কেননা, আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জ্ঞান সম্পন্ন নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে হলে দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই বিদ্যুতায়িত হতে হবে।
আতিউর রহমান বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে এদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক জ্ঞানেও আমাদেরকে সমৃদ্ধ করতে হবে। এজন্য বাংলাদেশের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিটি ব্যাংককেই শিক্ষাখাতে অর্থায়নে উৎসাহিত করে এবং এ লক্ষ্যে কাজ করছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বুধবার সকালে আয়োজিত ডিজিটাল এডুকেশনের ওপর প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যাকবন ফাউন্ডেশন, সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি ও ঢাবির উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান ও সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলদেশস্থ জাপানের অ্যাম্বাসেডর মাসাতো ওয়াতানাবে। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাপানের হিতোতসুবাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইয়োনেকুরা সেইছিরো অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘সকলের জন্য আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্যে নতুন প্রজন্মকে মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। তা না করতে পারলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এমনকি ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করাও সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার প্রতিটি পর্যায়েই এজন্য কম্পিউটারনির্ভর প্রযুক্তির জ্ঞানদানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আমাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তন ঘটাতে হবে। নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে আমাদের সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এক সময় এদেশের মানুষের জীবন ছিল রিলিফ নির্ভর। প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে এদেশের কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জনের পাশাপাশি প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাদ্য বিদেশেও রফতানি করতে পারছি। অন্যান্য দেশের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময়ে তাদেরকে সাহায্যও করতে পারছি।
তিনি বলেন, ২০১৬ সালের পরে বাংলাদেশের একটি গ্রামও বিদ্যুৎহীন থাকবে না। কেননা, আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জ্ঞান সম্পন্ন নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে হলে দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই বিদ্যুতায়িত হতে হবে।
আতিউর রহমান বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে এদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক জ্ঞানেও আমাদেরকে সমৃদ্ধ করতে হবে। এজন্য বাংলাদেশের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিটি ব্যাংককেই শিক্ষাখাতে অর্থায়নে উৎসাহিত করে এবং এ লক্ষ্যে কাজ করছে।
