অভিবাসীদের প্রবেশ করতে দেয়ার ব্যাপারে আবারও কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে অস্ট্রিয়া। তবে তা ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। গেল কয়েকদিন ধরে অভিবাসীদের জন্য সীমান্ত খোলা রাখার পর নতুন করে আবার এ সিদ্ধান্তের কথা জানালো দেশটি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি খবরটি নিশ্চিত করেছে।
অস্ট্রিয়া কর্তৃপক্ষ বলছে, অভিবাসীদের আশ্রয় দিতে যেসব বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছিল দেশটি, এখন সেসব শিথিল করার কথা ভাবা হচ্ছে। এর মানে আগে অভিবাসীদের জন্য সীমান্তে যেসব কড়াকড়ি ছিল সেসব পুনরায় কার্যকর করবে অস্ট্রিয়া।
জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মের্কেল এবং হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের সঙ্গে রোববার ফোনালাপের পর, এক বিবৃতিতে অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ফেইম্যান বলেন, এক জরুরী পরিস্থিতিতে মানবিকতার খাতিরে বারো হাজারেরও বেশি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে তার দেশ। আর তাই এখন ধাপে ধাপে অভিবাসীদের জন্য নেয়া জরুরি সুবিধাগুলো বিলোপ করার সময় এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ফেইম্যান বলেন, ‘আমরা সবসময়ই বলেছি, এটি একটি জরুরি পরিস্থিতি। এ পরিস্থিতিতে জরুরিভাবে মানবিকতার ভিত্তিতে কাজ করা দরকার ছিল। সঙ্কটজনক একটি পরিস্থিতিতে আমরা ১২ হাজারেরও বেশি লোককে সাহায্য করতে পেরেছি। এখন আমরা ধাপে ধাপে জরুরি ব্যবস্থা থেকে স্বাভাবিক ব্যবস্থায় ফিরে যাব, আইন নিশ্চিত করতে ও আইনের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এটি করা হচ্ছে।’
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ডাবলিন রুলস অনুযায়ী, বাইরে থেকে কেউ এসে ইউরোপে অভিবাসী হতে চাইলে প্রথমে ইইউভুক্ত যে দেশে তিনি নামবেন, সেখানেই নিবন্ধন করে তাকে আবেদন করতে হবে। ইউরোপে ঢুকে পড়া অতিরিক্ত শরণার্থীর চাপ সামলাতে ওই নিয়মের তোয়াক্কা না করে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া শনিবার শরণার্থীদের জন্য তাদের সীমান্ত খুলে দেয়। তবে সীমান্ত খুলে দেওয়ার বিষয়টিকে একটি ‘জরুরি পরিস্থিতিতে নেওয়া বিশেষ পদক্ষেপ’ অভিহিত করে জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, “ডাবলিন রুলস এখনও বাতিল হয়নি। প্রথমে ইইউভুক্ত যে দেশে আশ্রয়প্রার্থীরা নামবেন, সেখানেই নিবন্ধন করে আবেদন করার ইইউ-র আইনটি এখনও বলবৎ আছে।”
জার্মানি জানিয়েছে, তারা আট লাখ শরণার্থী ও অভিবাসন-প্রত্যাশীকে রাখতে পারবে বলে ধারণা করছে। দেশটি ইইউ-র অন্যান্য সদস্য দেশগুলোকে শরণার্থী ও অভিবাসন-প্রত্যাশীদের জন্য তাদের ‘দরজা’ খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
অভিবাসীদের নিয়ে ইইউ দেশগুলোর মত-ভিন্নতার মধ্যে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান আন্তোনিও গুয়েটার্স বলেছেন, এই সংকট সামলাতে ইইউভুক্ত দেশগুলোর একটি যৌথ পরিকল্পনায় একমত হওয়া দরকার।
এদিকে, হাঙ্গেরির দক্ষিণে সার্বিয়া সীমান্তের কাছে যেখানে অভিবাসীদের জন্য একটি নতুন ক্যাম্প খোলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ সেখানে একটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে রেখেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। সিরীয় শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে জর্ডান সীমান্তে নিতুন করে ৩০ কিলোমিটার বেড়া নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলও।
অস্ট্রিয়া কর্তৃপক্ষ বলছে, অভিবাসীদের আশ্রয় দিতে যেসব বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছিল দেশটি, এখন সেসব শিথিল করার কথা ভাবা হচ্ছে। এর মানে আগে অভিবাসীদের জন্য সীমান্তে যেসব কড়াকড়ি ছিল সেসব পুনরায় কার্যকর করবে অস্ট্রিয়া।
জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মের্কেল এবং হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের সঙ্গে রোববার ফোনালাপের পর, এক বিবৃতিতে অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ফেইম্যান বলেন, এক জরুরী পরিস্থিতিতে মানবিকতার খাতিরে বারো হাজারেরও বেশি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে তার দেশ। আর তাই এখন ধাপে ধাপে অভিবাসীদের জন্য নেয়া জরুরি সুবিধাগুলো বিলোপ করার সময় এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ফেইম্যান বলেন, ‘আমরা সবসময়ই বলেছি, এটি একটি জরুরি পরিস্থিতি। এ পরিস্থিতিতে জরুরিভাবে মানবিকতার ভিত্তিতে কাজ করা দরকার ছিল। সঙ্কটজনক একটি পরিস্থিতিতে আমরা ১২ হাজারেরও বেশি লোককে সাহায্য করতে পেরেছি। এখন আমরা ধাপে ধাপে জরুরি ব্যবস্থা থেকে স্বাভাবিক ব্যবস্থায় ফিরে যাব, আইন নিশ্চিত করতে ও আইনের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এটি করা হচ্ছে।’
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ডাবলিন রুলস অনুযায়ী, বাইরে থেকে কেউ এসে ইউরোপে অভিবাসী হতে চাইলে প্রথমে ইইউভুক্ত যে দেশে তিনি নামবেন, সেখানেই নিবন্ধন করে তাকে আবেদন করতে হবে। ইউরোপে ঢুকে পড়া অতিরিক্ত শরণার্থীর চাপ সামলাতে ওই নিয়মের তোয়াক্কা না করে জার্মানি ও অস্ট্রিয়া শনিবার শরণার্থীদের জন্য তাদের সীমান্ত খুলে দেয়। তবে সীমান্ত খুলে দেওয়ার বিষয়টিকে একটি ‘জরুরি পরিস্থিতিতে নেওয়া বিশেষ পদক্ষেপ’ অভিহিত করে জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, “ডাবলিন রুলস এখনও বাতিল হয়নি। প্রথমে ইইউভুক্ত যে দেশে আশ্রয়প্রার্থীরা নামবেন, সেখানেই নিবন্ধন করে আবেদন করার ইইউ-র আইনটি এখনও বলবৎ আছে।”
জার্মানি জানিয়েছে, তারা আট লাখ শরণার্থী ও অভিবাসন-প্রত্যাশীকে রাখতে পারবে বলে ধারণা করছে। দেশটি ইইউ-র অন্যান্য সদস্য দেশগুলোকে শরণার্থী ও অভিবাসন-প্রত্যাশীদের জন্য তাদের ‘দরজা’ খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
অভিবাসীদের নিয়ে ইইউ দেশগুলোর মত-ভিন্নতার মধ্যে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান আন্তোনিও গুয়েটার্স বলেছেন, এই সংকট সামলাতে ইইউভুক্ত দেশগুলোর একটি যৌথ পরিকল্পনায় একমত হওয়া দরকার।
এদিকে, হাঙ্গেরির দক্ষিণে সার্বিয়া সীমান্তের কাছে যেখানে অভিবাসীদের জন্য একটি নতুন ক্যাম্প খোলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ সেখানে একটি কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে রেখেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। সিরীয় শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে জর্ডান সীমান্তে নিতুন করে ৩০ কিলোমিটার বেড়া নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলও।
