শফিকুল
ইসলাম শফিক-ঝিনাইগাতী প্রতিনিধিঃ রাজনের মতোই ট্রাজেডির শিকার হলো শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের দরিদ্র কৃষক বাচ্চুর মিয়ার ছেলে আলম (২১) সম্প্রতি শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নে চোরের অভিযোগে আলমের ওপর শারীরিক ও মানষিক নির্যাতনের পর রহস্যজনকভাবে নিহতের ঘটনায় আদালতে মামলা হয়েছে| এ মামলার আসামী ইউপি চেয়ারম্যান আবু শামা কবির ও মেম্বার মিল্লাত হোসেনসহ ৭/৮ জন। এদিকে নির্যাতনের ভিডিও চিত্র আর নিহতের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, সে গত ১৩ আগষ্ট শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের ভায়াডাঙ্গা দক্ষিণ পাড়ায় তার নানা রাজা মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে পাতিল চুরির অভিযোগ তুলে এলাকার কয়েকজন তাকে আটক করে। পরে ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে বসে গ্রাম্য শালিস। শালিস কর্তা ইউপি চেয়ারম্যান আবু শামা কবির এ অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে তার ওপর বেত্রাঘাত করেন। পরদিন ভোরে রহস্যজনকভাবে ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার হোসেনপুর গ্রামে ঢাকা শেরপুর সড়ক থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়না তদন্তের জন্যে লাশ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ সংবাদ পেয়ে নিহতের আত্মীয় স্বজনরা পুলিশের কাছ থেকে তার লাশ গ্রহণ করেন।
এ ব্যাপারে নিহতের বাবা বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে গত ২৩ আগষ্ট ৩০২/২০১/৩৪ দন্ডবিধি ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করেন। এতে আসামী করা হয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু শামা কবির ও মেম্বার মিল্ল¬াত হোসেনসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জন। ফুলপুর থানা নিহত আলমের একটি সুরত হাল রিপোর্টে উল্লে¬খ করেছেন, তার শরীরে একাধিক জখম ও উরুর নিচে কাটা চিহ্ন রয়েছে। তাদের ধারনা দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে সে নিহত হয়েছে।
নিহতের মা রাজিয়া বেগম ও আত্মীয় স্বজনরা বলেন, আলম কোনোদিন চুরি করতে পারে না। তারা পরিকল্পিভাবে চোর অভিযোগ তুলে তাকে হত্যা করেছে। ইউপি চেয়ারম্যান আবু শামা কবির বলেন, তার বিরুদ্ধে একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবত নানাভাবে হয়রানী করে আসছে। এবারও ওই চক্রটি যোগসাজস করে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। তার মতে, সঠিক তদন্ত হলে হত্যা কান্ডের রহস্য উন্মোচন হবে। শ্রীবরদী থানা অফিসার ইনচার্জ এস আলম জানান, এ ব্যাপারে থানায় কোর্টের কোনো মামলা আমার হাতে এখনো আসেনি। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, কেন রাজনের মতো ট্রাজেডির শিকার হতে হলো আলমকে। তাদের দাবি,এর রহস্য উদঘাটন করে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা|
জানা যায়, সে গত ১৩ আগষ্ট শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের ভায়াডাঙ্গা দক্ষিণ পাড়ায় তার নানা রাজা মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে পাতিল চুরির অভিযোগ তুলে এলাকার কয়েকজন তাকে আটক করে। পরে ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে বসে গ্রাম্য শালিস। শালিস কর্তা ইউপি চেয়ারম্যান আবু শামা কবির এ অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে তার ওপর বেত্রাঘাত করেন। পরদিন ভোরে রহস্যজনকভাবে ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার হোসেনপুর গ্রামে ঢাকা শেরপুর সড়ক থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়না তদন্তের জন্যে লাশ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ সংবাদ পেয়ে নিহতের আত্মীয় স্বজনরা পুলিশের কাছ থেকে তার লাশ গ্রহণ করেন।
এ ব্যাপারে নিহতের বাবা বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে গত ২৩ আগষ্ট ৩০২/২০১/৩৪ দন্ডবিধি ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করেন। এতে আসামী করা হয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু শামা কবির ও মেম্বার মিল্ল¬াত হোসেনসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জন। ফুলপুর থানা নিহত আলমের একটি সুরত হাল রিপোর্টে উল্লে¬খ করেছেন, তার শরীরে একাধিক জখম ও উরুর নিচে কাটা চিহ্ন রয়েছে। তাদের ধারনা দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে সে নিহত হয়েছে।
নিহতের মা রাজিয়া বেগম ও আত্মীয় স্বজনরা বলেন, আলম কোনোদিন চুরি করতে পারে না। তারা পরিকল্পিভাবে চোর অভিযোগ তুলে তাকে হত্যা করেছে। ইউপি চেয়ারম্যান আবু শামা কবির বলেন, তার বিরুদ্ধে একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবত নানাভাবে হয়রানী করে আসছে। এবারও ওই চক্রটি যোগসাজস করে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। তার মতে, সঠিক তদন্ত হলে হত্যা কান্ডের রহস্য উন্মোচন হবে। শ্রীবরদী থানা অফিসার ইনচার্জ এস আলম জানান, এ ব্যাপারে থানায় কোর্টের কোনো মামলা আমার হাতে এখনো আসেনি। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, কেন রাজনের মতো ট্রাজেডির শিকার হতে হলো আলমকে। তাদের দাবি,এর রহস্য উদঘাটন করে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা|

