শক্তিশালী ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত চিলির মধ্যাঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।বুধবার রাতে ওই শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে প্রায় ১০ লাখ লোক গৃহহীন হয়ে পড়ে এবং এতে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিলো ৮.৯।
উপকূলীয় কোকুইম্বো শহরের তীরে ৪.৭ মিটার উচ্চতার সামুদ্রিক ঢেউ আছড়ে পড়তে দেখা যায়। অনেক দূরে পর্যন্ত সুনামির ঢেউ আঘাত হানে।
প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাশেলেত বৃহস্পতিবার কোকুইম্বো শহর পরিদর্শন করেন।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের উত্তর ও দক্ষিণে উপকূলেও সুনামির ঢেউ আঘাত হানে।
ভূমিকম্পটির স্থায়িত্বকাল ছিল তিন মিনিটেরও বেশী। সেখানে এরপর বেশ কয়েক দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়। উল্লেখ্য, এ বছর বিশ্বে এটি ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা।
উপকূলীয় শহর লা সারিনার বাসিন্দা গ্লোরিয়া নাভারো জানান, ভূমিকম্পের সময় লোকজন চারদিকে ছোটাছুটি করতে থাকে।
চিলির ইতিহাসের ষষ্ঠ শক্তিশালী এ ভূমিকম্প আঘাত হানার পর দেশের মধ্যাঞ্চলের বাসিন্দারা বৃহস্পতিবার ধ্বংসস্তুপ সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু করেছে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলা দলের সদস্যরা জানান, ভূমিকম্পের ঘটনায় সমুদ্র তীরবর্তী জেলেপাড়া তনগয়ের বিশাল এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এতে ওই অঞ্চলের পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি মারাতœকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এ ভয়াবহ ভূমিকম্পের ফলে ৯০ হাজার ঘরবাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
প্রেসিডেন্ট ব্যাশেলেত জনগণের সহযোগিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, এ ভূমিকম্পের শক্তি বিবেচনায় মৃতের এ সংখ্যা বেশী নয়।
উপকূলীয় কোকুইম্বো শহরের তীরে ৪.৭ মিটার উচ্চতার সামুদ্রিক ঢেউ আছড়ে পড়তে দেখা যায়। অনেক দূরে পর্যন্ত সুনামির ঢেউ আঘাত হানে।
প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাশেলেত বৃহস্পতিবার কোকুইম্বো শহর পরিদর্শন করেন।
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের উত্তর ও দক্ষিণে উপকূলেও সুনামির ঢেউ আঘাত হানে।
ভূমিকম্পটির স্থায়িত্বকাল ছিল তিন মিনিটেরও বেশী। সেখানে এরপর বেশ কয়েক দফা ভূমিকম্প অনুভূত হয়। উল্লেখ্য, এ বছর বিশ্বে এটি ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা।
উপকূলীয় শহর লা সারিনার বাসিন্দা গ্লোরিয়া নাভারো জানান, ভূমিকম্পের সময় লোকজন চারদিকে ছোটাছুটি করতে থাকে।
চিলির ইতিহাসের ষষ্ঠ শক্তিশালী এ ভূমিকম্প আঘাত হানার পর দেশের মধ্যাঞ্চলের বাসিন্দারা বৃহস্পতিবার ধ্বংসস্তুপ সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু করেছে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলা দলের সদস্যরা জানান, ভূমিকম্পের ঘটনায় সমুদ্র তীরবর্তী জেলেপাড়া তনগয়ের বিশাল এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এতে ওই অঞ্চলের পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি মারাতœকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এ ভয়াবহ ভূমিকম্পের ফলে ৯০ হাজার ঘরবাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
প্রেসিডেন্ট ব্যাশেলেত জনগণের সহযোগিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, এ ভূমিকম্পের শক্তি বিবেচনায় মৃতের এ সংখ্যা বেশী নয়।
