ব্যাট হাতে ‘ফিনিশার’, বল হাতেও ‘ফিনিশ’ করে দিচ্ছেন প্রতিপক্ষকে! ক্রমেই যেন দুর্দান্ত অলরাউন্ডার হয়ে উঠছেন নাসির। আর আজতো তিনি ব্যাট হাতেও 'একাই একশ', বল হাতেও 'একাই একশ', যেন 'একাই দুইশ!'
প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৯৬ রানে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ‘নাসির শো’তে ৬৫ রানের জয় তুলে নিয়েছে মুমিনুল হকের দল। দলকে সমতায় ফেরাতে ব্যাট হাতে দৃষ্টিনন্দন অপরাজিত শতক আর বল হাতে ৫ উইকেট দখল করেন টাইগারদের তারকা অলরাউন্ডার নাসির হোসেন।
এমনিতে সাত-অাটে নেমে বড় স্কোর গড়া সম্ভব হয় না। বল ও সময় কোনোটাই পর্যাপ্ত থাকে না হাতে। কিন্তু ‘এ’ দলের ভারত সফরে ব্যাটিংয়ের ভালো সুযোগই পাচ্ছেন। প্রথম ম্যাচে উইকেটে এসেছিলেন ১৭তম ওভারে। করেছিলেন দলের মান বাঁচানো ৫২। আজও টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় ১৯তম ওভারে আসেন উইকেটে। দল তখন বিপর্যয়ে, ৫ উইকেটে ৮২। ষষ্ঠ উইকেটে লিটনকে সঙ্গী করে শুরু করেন ইনিংস মেরামত। ১৫২ রানের মাথায় ফিরে যান ৪৫ রান করা লিটন।
৭০ রানের জুটি ভেঙে গেলে আবারও বিপদে বাংলাদেশ। হাল ছাড়েননি নাসির। আরাফাত সানিকে নিয়ে সপ্তম উইকেটে ৫০ রানের আরেকটি কার্যকরী জুটি। তবে মাত্র ১০ রানের দুই উইকেট পড়লে অলআউটের শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ। এ দফা আবারও কান্ডারি নাসির। শেষ পাঁচ ওভারে ৪০ রান তুলে নিয়ে পার করেন আড়াই শ। এরই মাঝে তুলে নেন নিজের সেঞ্চুরিও। লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি নাসিরের। ৯৬ বলে অপরাজিত ১০২ রানের দারুণ ইনিংসে চারের মার ছিল ১২টি আর একটি ছয়।
ব্যাটিংয়ে ঝলক দেখানোর পর বোলিংয়েও নিজের কারিশমা দেখান নাসির। ওপেনার উন্মুখ চাঁদকে (৭৫) লিটন দাসের হাতে ক্যাচ বানিয়ে ভারতীয় ইনিংসের মড়কের সূচনা করেন তিনি। এরপর ৩৪তম ওভারে আক্রমণে এসে ঘূর্ণিতে নাকাল করেন সুরেশ রায়না এবং করুন নায়ারকে। নাসিরের দ্বিতীয় শিকার সুরেশ রায়না ১৭ রান করে বিদায় নেন। ব্যক্তিগত ৪ রান করা করুন নায়ারকেও ফিরিয়ে দেন নাসির। দুজকেই স্ট্যাম্পিং করেন লিটন দাস।
দলীয় ৩৬তম ওভারে নাসিরের চতুর্থ শিকারে ফেরেন রিশি ধাওয়ান। এখানেই থামেনি ‘নাসির শো’। দলীয় ৪২তম ওভারের শেষ বলে আবারো আক্রমণ হানেন নাসির। নিজের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন তিনি। কালারিয়াকে ফিরিয়ে দেন নাসির।
রানের জন্য বেশ কিছু দিন ধরেই মরিয়া হয়ে ছিলেন নাসির হোসেন, কিন্তু ব্যাটেবলে ঠিকমতো হচ্ছিল না। মাঝে মধ্যে চমক দেখালেও কেনো যেন পুরোপুরি হচ্ছিলো না। রানের সেই ব্যাকুলতা আজ ঘুচিয়ে দিল ব্যাটিংয়ের খরা। শত রানের ঝিলিক তো দেখালেনই, দলকে নিয়ে গেলেন সম্মানজনক স্থানে। সেইসাথে বোলিংয়ে কারিশমা দেখিয়ে দলকেও নিয়ে গেলেন জয়ের বন্দরে।
প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৯৬ রানে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ‘নাসির শো’তে ৬৫ রানের জয় তুলে নিয়েছে মুমিনুল হকের দল। দলকে সমতায় ফেরাতে ব্যাট হাতে দৃষ্টিনন্দন অপরাজিত শতক আর বল হাতে ৫ উইকেট দখল করেন টাইগারদের তারকা অলরাউন্ডার নাসির হোসেন।
এমনিতে সাত-অাটে নেমে বড় স্কোর গড়া সম্ভব হয় না। বল ও সময় কোনোটাই পর্যাপ্ত থাকে না হাতে। কিন্তু ‘এ’ দলের ভারত সফরে ব্যাটিংয়ের ভালো সুযোগই পাচ্ছেন। প্রথম ম্যাচে উইকেটে এসেছিলেন ১৭তম ওভারে। করেছিলেন দলের মান বাঁচানো ৫২। আজও টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় ১৯তম ওভারে আসেন উইকেটে। দল তখন বিপর্যয়ে, ৫ উইকেটে ৮২। ষষ্ঠ উইকেটে লিটনকে সঙ্গী করে শুরু করেন ইনিংস মেরামত। ১৫২ রানের মাথায় ফিরে যান ৪৫ রান করা লিটন।
৭০ রানের জুটি ভেঙে গেলে আবারও বিপদে বাংলাদেশ। হাল ছাড়েননি নাসির। আরাফাত সানিকে নিয়ে সপ্তম উইকেটে ৫০ রানের আরেকটি কার্যকরী জুটি। তবে মাত্র ১০ রানের দুই উইকেট পড়লে অলআউটের শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ। এ দফা আবারও কান্ডারি নাসির। শেষ পাঁচ ওভারে ৪০ রান তুলে নিয়ে পার করেন আড়াই শ। এরই মাঝে তুলে নেন নিজের সেঞ্চুরিও। লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি নাসিরের। ৯৬ বলে অপরাজিত ১০২ রানের দারুণ ইনিংসে চারের মার ছিল ১২টি আর একটি ছয়।
ব্যাটিংয়ে ঝলক দেখানোর পর বোলিংয়েও নিজের কারিশমা দেখান নাসির। ওপেনার উন্মুখ চাঁদকে (৭৫) লিটন দাসের হাতে ক্যাচ বানিয়ে ভারতীয় ইনিংসের মড়কের সূচনা করেন তিনি। এরপর ৩৪তম ওভারে আক্রমণে এসে ঘূর্ণিতে নাকাল করেন সুরেশ রায়না এবং করুন নায়ারকে। নাসিরের দ্বিতীয় শিকার সুরেশ রায়না ১৭ রান করে বিদায় নেন। ব্যক্তিগত ৪ রান করা করুন নায়ারকেও ফিরিয়ে দেন নাসির। দুজকেই স্ট্যাম্পিং করেন লিটন দাস।
দলীয় ৩৬তম ওভারে নাসিরের চতুর্থ শিকারে ফেরেন রিশি ধাওয়ান। এখানেই থামেনি ‘নাসির শো’। দলীয় ৪২তম ওভারের শেষ বলে আবারো আক্রমণ হানেন নাসির। নিজের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন তিনি। কালারিয়াকে ফিরিয়ে দেন নাসির।
রানের জন্য বেশ কিছু দিন ধরেই মরিয়া হয়ে ছিলেন নাসির হোসেন, কিন্তু ব্যাটেবলে ঠিকমতো হচ্ছিল না। মাঝে মধ্যে চমক দেখালেও কেনো যেন পুরোপুরি হচ্ছিলো না। রানের সেই ব্যাকুলতা আজ ঘুচিয়ে দিল ব্যাটিংয়ের খরা। শত রানের ঝিলিক তো দেখালেনই, দলকে নিয়ে গেলেন সম্মানজনক স্থানে। সেইসাথে বোলিংয়ে কারিশমা দেখিয়ে দলকেও নিয়ে গেলেন জয়ের বন্দরে।
