চলন্ত ট্যাঙ্কার থেকে তেল নেয়ার সময় ট্যাঙ্কার খাদে পড়ে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় দক্ষিণ সুদানে শতাধিক লোকের প্রাণহানি হয়েছে। এ ঘটনায় আরো অন্তত ৫০ জন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। স্থানীয় এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এ সংবাদ দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
পশ্চিম ইকোয়াটোরিয়ার তথ্য মন্ত্রী চার্লস কিসাগনা বলেছেন, ট্যাঙ্কারটি রাজধানী জুবা থেকে পশ্চিম ইকুয়াটোরিয়াতে যাচ্ছিল।
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের এখানে চিকিৎসা সরঞ্জামাদির অভাব রয়েছে এবং অতিরিক্ত পুড়ে যাওয়া লোকদের চিকিৎসার জন্য আমাদের এখানে কোন সুবিধা নেই। আর সেকারণেই হয়তো এদেরকে বাঁচানো যাবে না।’
এর আগে পূর্ব আফ্রিকার অঞ্চলগুলোতে তেলের ট্যাঙ্কার দূরবর্তী স্থান এবং নিম্ন আয়ের এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় এমন দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
দক্ষিণ সুদানে পিচ ঢালাইয়ের রাস্তা নেই বলে প্রায়ই ঘটছে এমন দুর্ঘটনা। ২০১৩ সালের জুনে উগান্ডার এক মহাসড়কে তেল ট্যাঙ্কার বিস্ফোরণের ঘটনায় ৩০ জন নিহত হন এবং আহত হন আরো অনেকে।
আফ্রিকার সবচে গরিব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে দক্ষিণ সুদান। দেশটিতে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগস্টে সরকার এবং বিদ্রোহীরা শান্তিচুক্তি করেন যদিও যুদ্ধ বিরতির সে চুক্তি এরই মধ্যে লঙ্ঘিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির মুখপাত্র অ্যাটর্নি ওয়েক অ্যাটনি বলেন, বুধবারের ঘটনার সাথে চলমান সংঘর্ষের কোন সম্পর্ক নেই।
পশ্চিম ইকোয়াটোরিয়ার তথ্য মন্ত্রী চার্লস কিসাগনা বলেছেন, ট্যাঙ্কারটি রাজধানী জুবা থেকে পশ্চিম ইকুয়াটোরিয়াতে যাচ্ছিল।
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের এখানে চিকিৎসা সরঞ্জামাদির অভাব রয়েছে এবং অতিরিক্ত পুড়ে যাওয়া লোকদের চিকিৎসার জন্য আমাদের এখানে কোন সুবিধা নেই। আর সেকারণেই হয়তো এদেরকে বাঁচানো যাবে না।’
এর আগে পূর্ব আফ্রিকার অঞ্চলগুলোতে তেলের ট্যাঙ্কার দূরবর্তী স্থান এবং নিম্ন আয়ের এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় এমন দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
দক্ষিণ সুদানে পিচ ঢালাইয়ের রাস্তা নেই বলে প্রায়ই ঘটছে এমন দুর্ঘটনা। ২০১৩ সালের জুনে উগান্ডার এক মহাসড়কে তেল ট্যাঙ্কার বিস্ফোরণের ঘটনায় ৩০ জন নিহত হন এবং আহত হন আরো অনেকে।
আফ্রিকার সবচে গরিব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে দক্ষিণ সুদান। দেশটিতে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগস্টে সরকার এবং বিদ্রোহীরা শান্তিচুক্তি করেন যদিও যুদ্ধ বিরতির সে চুক্তি এরই মধ্যে লঙ্ঘিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির মুখপাত্র অ্যাটর্নি ওয়েক অ্যাটনি বলেন, বুধবারের ঘটনার সাথে চলমান সংঘর্ষের কোন সম্পর্ক নেই।
