চামড়া পাচাররোধে ঈদের দিন থেকে পরের কয়েকদিন চামড়াবাহী কোন ট্রাক ঢাকার বাইরে যেতে দেয়া হবে না। অন্য জেলার ট্রাক ঢাকায় প্রবেশ করতে পারবে বলে জানালেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক। তিনি বলেন, "এ জন্য ঢাকার ৬টি বাহির পথে পুলিশের কঠোর নজরদারি থাকবে।"
আজ সোমবার দুপুরে পুলিশ সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান ও এপিবিএন’র অতিরিক্ত আইজিপি সিদ্দিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
আইজিপি বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও যাতে চামড়া পাচার না হতে পারে সেজন্য পুলিশ কাজ করবে। পুলিশের মোবাইল টিমগুলো এ ব্যাপারে মনিটরিং করবে। এ জন্য মহাসড়কে ১৪টি ওয়াচ টাওয়ার থাকবে।
এ কে এম শহীদুল হক বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া পশুবাহী ট্রাক থামানো যাবে না। ট্রাকের কাগজপত্র পরীক্ষার অজুহাতে পশুবাহী ট্রাক যাতে থামানো না হয়, এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের সব রেঞ্জের ডিআইজি, মহানগর পুলিশের কমিশনারসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় বলে জানান তিনি। পশুবাহী ট্রাকে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না বলেও জানান তিনি।
পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, পশুর হাটগুলোতে জাল টাকা সনাক্ত ও অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের ধরতে পুলিশ তৎপর থাকবে। মহাসড়ক ও অনুমোদন বিহীন সড়কে পশুর হাট বসতে দেয়া হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে একেএম শহীদুল হক বলেন, দেশব্যাপী নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ৩৭ হাজার ৭৫১টি মোটরসাইকেল আটক করে পুলিশ। এর মধ্যে বিআরটিএতে নিবন্ধনের জন্য টাকা জমা দিয়ে ১১ হাজার মালিক মোটরসাইকেল নিয়ে গেছেন। বাসস।
আজ সোমবার দুপুরে পুলিশ সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান ও এপিবিএন’র অতিরিক্ত আইজিপি সিদ্দিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
আইজিপি বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকেও যাতে চামড়া পাচার না হতে পারে সেজন্য পুলিশ কাজ করবে। পুলিশের মোবাইল টিমগুলো এ ব্যাপারে মনিটরিং করবে। এ জন্য মহাসড়কে ১৪টি ওয়াচ টাওয়ার থাকবে।
এ কে এম শহীদুল হক বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া পশুবাহী ট্রাক থামানো যাবে না। ট্রাকের কাগজপত্র পরীক্ষার অজুহাতে পশুবাহী ট্রাক যাতে থামানো না হয়, এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের সব রেঞ্জের ডিআইজি, মহানগর পুলিশের কমিশনারসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় বলে জানান তিনি। পশুবাহী ট্রাকে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না বলেও জানান তিনি।
পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, পশুর হাটগুলোতে জাল টাকা সনাক্ত ও অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের ধরতে পুলিশ তৎপর থাকবে। মহাসড়ক ও অনুমোদন বিহীন সড়কে পশুর হাট বসতে দেয়া হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে একেএম শহীদুল হক বলেন, দেশব্যাপী নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ৩৭ হাজার ৭৫১টি মোটরসাইকেল আটক করে পুলিশ। এর মধ্যে বিআরটিএতে নিবন্ধনের জন্য টাকা জমা দিয়ে ১১ হাজার মালিক মোটরসাইকেল নিয়ে গেছেন। বাসস।

