জেলায় বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও পানিতে ডুবে থাকা ধানের গাছে পঁচন ধরেছে। গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ আর উজানের পানিতে জয়পুরহাট সদর, পাঁচিবিবি, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলার তুলশীগঙ্গা ও ছোট যমুনা নদী পাড়ের প্রায় ৩ হাজার হেক্টর আমন ধান ও অন্যান্য ফসল পানিতে তলিয়ে যায়।
বন্যার পানিতে পুরো ধান ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নদী পাড়ের শত শত কৃষক। মাঠ ভরা ছিল সোনালী ধান। অনেক কৃষকের সেই ধান ঘরে তোলার স্বপ্নকে ডুবিয়ে দিয়েছে বন্যার পানি ও উজানের ঢল।
ক্ষেতলাল উপজেলার তিলাবদুল মুনসীপাড়ার কৃষক আওলাদ মুনসীর ২০ বিঘা জমির ধান পানিতে ডুবে সম্পুর্ন নষ্ট হয়েছে। ওই এলাকার প্রান্তিক কৃষক জামসেদ আলমের ৩ বিঘা, নজরুল ইসলামের ৩ বিঘা, ফিজু রহমানের ২ বিঘা, আসলাম হোসেনের ১ বিঘা, মামুনুর রশিদের ২ বিঘা জমির ধান পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে বলে জানান।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গেল কয়েক দিনের টানা বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে তুলশী গঙ্গা ও ছোট যমুনার নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে জেলার চার উপজেলার তিলাবদুল মুনসীপাড়া, ধারকী, ধারকী উত্তরপাড়া, বটতলী, আটাপুর, দাউদপুর, বহরমপুর, জামালপুর, বেরইল, মহবতপুর, মামুদপুর, আমিড়া, আওয়ালগাড়ী, উলিপুরসহ প্রায় ২০টি গ্রামের ৩ হাজার হেক্টর জমির আমন ধান ও অন্যান্য ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ জেড এম ছাব্বির ইবনে জাহান জানান, বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে । উপজেলা পর্যায়ে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান নির্ধারনে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

