![]() |
| রৌমারীতে এসিল্যান্ডের নোটিশের ২ সপ্তাহ পার: এখনো ভাঙ্গেনি খেওয়ারচর হাটের অবৈধ দোকান |
প্রশাসনের আল্টিমেটামকে তোয়াক্কা করছে না দখলদারেরা: রৌমারীতে উচ্ছেদ নিয়ে ধোঁয়াশা
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার খেওয়ারচর হাট-বাজারে অবৈধভাবে নির্মিত দোকানঘর সরিয়ে নিতে প্রশাসনের দেওয়া নোটিশের দুই সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও উচ্ছেদ করা হয়নি কোনো স্থাপনা। একদিনের সময় দিয়ে নোটিশ টাঙানো হলেও পনেরো দিনেও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় খোদ প্রশাসনের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানা গেছে, খেওয়ারচর হাট-বাজারের পেরিফেরি ভুক্ত জায়গায় সরকারি ভাবে একটি 'হাট শেড' নির্মাণের জন্য ২২টি পুরনো ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছিল। কিন্তু শেড নির্মাণের পর ফাঁকা জায়গাগুলোতে পুনরায় নতুন করে দোকানঘর নির্মাণ শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, যাদুরচর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সরবেশ আলীর নেতৃত্বে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের একটি সিন্ডিকেট সরকারি জায়গা দখল করে এই দোকানগুলো নির্মাণ করেছে।
সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে খবর প্রকাশের পর গত দুই সপ্তাহ আগে রৌমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে একদিনের সময় দিয়ে নোটিশ প্রদান করেন। কিন্তু সেই সময়ের সীমানা পার হলেও দখলদারেরা এখনো বহাল তবিয়তে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বিএনপির ক্ষমতার দাপটে মনগড়াভাবে দোকানগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। এসিল্যান্ড স্যার একদিনের নোটিশ দিলেও দুই সপ্তাহেও কোনো অ্যাকশন না হওয়ায় আমরা হতাশ।" নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক ব্যবসায়ী জানান, রাজনৈতিক প্রভাবে উচ্ছেদ প্রক্রিয়া থমকে আছে কি না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে গুঞ্জন চলছে।
যাদুরচর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো. রুহুল্লা জানান, ১৯৭০ সালের ভূমি ও ইমারত অধ্যাদেশ অনুযায়ী স্থাপনা সরিয়ে নিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। দখলদাররা স্বেচ্ছায় না সরলে সরকারিভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান বলেন, "অবৈধভাবে নির্মিত দোকানঘর সরিয়ে নিতে আমরা একদিনের সময় দিয়েছিলাম। যদি দোকানগুলো এখনো সরানো না হয়ে থাকে, তবে আমরা আবারও গিয়ে অভিযান চালিয়ে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেব।"







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।