![]() |
| রৌমারীতে গাভীন গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে |
বাছুরসহ গাভী জবাই করে মাংস বিক্রি: রৌমারীতে ছাত্রদল নেতার কাণ্ডে তোলপাড়
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইকান্দি বাজারে গাভীন গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় শৌলমারী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ও মাংস ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম হিমুর বিরুদ্ধে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হিমু দীর্ঘদিন ধরে বড়াইকান্দি বাজারের ডিসি রাস্তা সংলগ্ন একটি দোকান থেকে মাংস বিক্রি করে আসছেন। গত দুই দিন আগে তিনি একটি গাভীন গরু জবাই করেন, যার পেট থেকে পূর্ণাঙ্গ একটি মৃত বাছুর বেরিয়ে আসে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে মাংসের দোকানটি অবরুদ্ধ করে রাখেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত হিমু প্রায়ই রোগাক্রান্ত ও নিম্নমানের গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে বা শারীরিক পরীক্ষা শেষে গরু জবাই করার কথা থাকলেও, রৌমারীতে তা মানা হচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের যোগসাজশে আইয়ুব আলী নামে একজন গ্রাম্য পশু চিকিৎসক দিয়ে দায়সারা পরীক্ষা করিয়ে এসব গরু জবাইয়ের অনুমতি দেওয়া হয়। এর আগেও এই এলাকায় রোগাক্রান্ত ও মরা গরু জবাইয়ের অভিযোগ একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা সভায় উঠলেও প্রাণিসম্পদ বিভাগ কোনো গুরুত্ব দেয়নি।
গ্রাম্য পশু চিকিৎসক আইয়ুব আলী জানান, তাকে না জানিয়েই হিমু ওই গাভীন গরুটি জবাই করেছিলেন। তিনি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হিমু মাংসগুলো সরিয়ে পালিয়ে যান। তবে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম হিমু তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, এটি তাঁর বিরুদ্ধে একটি চক্রের মিথ্যা অপপ্রচার। প্রশাসনিক ঝামেলা এড়াতেই তিনি দোকান থেকে মাংস সরিয়ে ফেলেছেন বলে জানান।
এই বিষয়ে রৌমারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কামরুজ্জামান পাইকরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাওসার আলী জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন যে গাভীর পেট থেকে বাছুর বের হয়েছে এবং পরে মাংস সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ না দেওয়ায় কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি।







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।