রমেশ সরকার,শেরপুর প্রতিনিধি
আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তবর্তী শ্রীবরদীতে জমে ওঠেছে মাদকের জম জমাট ব্যবসা। একারণে হাত বাড়ালেই শ্রীবরদীতে পাওয়া যায় ফেন্সিডিল, হেরোইন, ইয়াবা, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক। মাঝে মাঝে মাদক বিরোধী পুলিশী অভিযানে মাদকসহ মাদক ব্যবসায়ী ধরা পড়লেও কিছুতেই নির্মূল হচ্ছে না মাদক ব্যবসা। ফলে এর প্রভাব পড়ছে উপজেলার সর্বত্র। ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেঁষা সীমান্তবর্তী এ উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রতিনিয়ত আসছে মরন নেশা হেরোইন, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, মদ ও গাঁজা। একারণেই এ অঞ্চলে গড়ে ওঠেছে মাদক ব্যবসায়ীর বিশাল সিন্ডিকেট। এসকল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গোপনে চলে মাদকের কেনাবেচা। বাড়ছে মাদক সেবির সংখ্যা এবং দিন দিন ঝুঁকে পড়ছে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ ওঠতি বয়সী ছেলেরা। মাদকের ছোঁবলে ধ্বংশ হচ্ছে এলাকার সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। যত্রতত্র মাদক পাওয়ার কারণে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের সচেতন মানুষ।
একাধিক সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার সীমান্তবর্তী সিংগাবরুনা ও রাণিশিমুল ইউনিয়নের হারিয়াকোনা, দিঘলাকোনা ও খাড়ামোড়া সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে আসা মাদক ওই এলাকার ব্যবসায়ীদের হাতে লক্ষ লক্ষ টাকার মাদক পাচার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। লাভজনক হওয়ায় এসকল মাদক ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়ছে হারিয়াকোনা, বাবেলাকোনা, দিঘলাকোনা, টিলাপাড়া, চান্দাপাড়া, খ্রিস্টানপাড়া, মেঘাদল, শগুনা, জলঙ্গা মাধবপুর, মাটিফাটা, সিংগাবরুনা, কর্ণঝোরা, শয়তান বাজার, হাতিবর, চুকচুকি গোবিন্দপুর, বরইকুচি, মালাকোচা, বালিজুরি, হালুহাটি, কালিবাড়ি, বিলভরটসহ অর্ধ শতাধিক গ্রামের অর্থলোভি খারাপ প্রকৃতির মানুষ। এছাড়াও পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নেও গড়ে ওঠেছে বিশাল মাদক ব্যবসায়ীর সিন্ডিকিেট। পৌরসভার যত্রতত্র হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় বিভিন্ন প্রকার মাদক। মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তৎপর হলেও এর প্রসারতা এতই বেড়েছে যে, একেবারে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে কিছু মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করলেও মূল হোতারা থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আটকৃতরা পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো শুরু করে সেই পুরানো ব্যবসা। এনিয়ে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, মাদকের সাথে কোনো প্রকার আপোষ নেই। মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে, একেবারে নির্মূল করতে না পারলেও সহনীয় পর্যায়ে আনতে সক্ষম হব।
আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তবর্তী শ্রীবরদীতে জমে ওঠেছে মাদকের জম জমাট ব্যবসা। একারণে হাত বাড়ালেই শ্রীবরদীতে পাওয়া যায় ফেন্সিডিল, হেরোইন, ইয়াবা, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক। মাঝে মাঝে মাদক বিরোধী পুলিশী অভিযানে মাদকসহ মাদক ব্যবসায়ী ধরা পড়লেও কিছুতেই নির্মূল হচ্ছে না মাদক ব্যবসা। ফলে এর প্রভাব পড়ছে উপজেলার সর্বত্র। ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেঁষা সীমান্তবর্তী এ উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রতিনিয়ত আসছে মরন নেশা হেরোইন, ইয়াবা, ফেন্সিডিল, মদ ও গাঁজা। একারণেই এ অঞ্চলে গড়ে ওঠেছে মাদক ব্যবসায়ীর বিশাল সিন্ডিকেট। এসকল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গোপনে চলে মাদকের কেনাবেচা। বাড়ছে মাদক সেবির সংখ্যা এবং দিন দিন ঝুঁকে পড়ছে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ ওঠতি বয়সী ছেলেরা। মাদকের ছোঁবলে ধ্বংশ হচ্ছে এলাকার সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। যত্রতত্র মাদক পাওয়ার কারণে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের সচেতন মানুষ।
একাধিক সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার সীমান্তবর্তী সিংগাবরুনা ও রাণিশিমুল ইউনিয়নের হারিয়াকোনা, দিঘলাকোনা ও খাড়ামোড়া সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে আসা মাদক ওই এলাকার ব্যবসায়ীদের হাতে লক্ষ লক্ষ টাকার মাদক পাচার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। লাভজনক হওয়ায় এসকল মাদক ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়ছে হারিয়াকোনা, বাবেলাকোনা, দিঘলাকোনা, টিলাপাড়া, চান্দাপাড়া, খ্রিস্টানপাড়া, মেঘাদল, শগুনা, জলঙ্গা মাধবপুর, মাটিফাটা, সিংগাবরুনা, কর্ণঝোরা, শয়তান বাজার, হাতিবর, চুকচুকি গোবিন্দপুর, বরইকুচি, মালাকোচা, বালিজুরি, হালুহাটি, কালিবাড়ি, বিলভরটসহ অর্ধ শতাধিক গ্রামের অর্থলোভি খারাপ প্রকৃতির মানুষ। এছাড়াও পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নেও গড়ে ওঠেছে বিশাল মাদক ব্যবসায়ীর সিন্ডিকিেট। পৌরসভার যত্রতত্র হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় বিভিন্ন প্রকার মাদক। মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তৎপর হলেও এর প্রসারতা এতই বেড়েছে যে, একেবারে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। পুলিশ মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে কিছু মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করলেও মূল হোতারা থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আটকৃতরা পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো শুরু করে সেই পুরানো ব্যবসা। এনিয়ে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, মাদকের সাথে কোনো প্রকার আপোষ নেই। মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে, একেবারে নির্মূল করতে না পারলেও সহনীয় পর্যায়ে আনতে সক্ষম হব।
