ব্যাঙের ছাতার মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলে লাভ করবেন আর ভ্যাট দেবেন না, তা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ব্যাঙের ছাতার মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গজিয়ে উঠেছে। এদের কোনো ক্যম্পাস নেই। যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস নেই তাদের আবার কি বিশ্ববিদ্যালয়। একটি ভবনে পাঁচটি ক্যাম্পাস। আছে শুধু কবুতরের ক্ষোপ। এখানে নেই কোনো ভালো শিক্ষক। মাঝে মাঝে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এসে দুই একটা ক্লাস নেন। এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকরা লেখাপড়ার দিকে মন দেন না। মন দেন লাভের দিকে। তাই ভ্যাট শিক্ষার্থীরা দেবে কেন? ভ্যাট দেবে মালিকরা। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রনালয় ও মঞ্জুরি কমিশনকে ভূমিকা রাখতে হবে।
ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তোমরা না বুঝে আবেগপ্রবণ হয়ে কেন রাস্তায় নামলে। জনগণকে পক্ষে নিয়ে আন্দোলন করতে হবে। তোমরাতো জনগণের বিপক্ষে গেছো। যা আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান সম্ভব।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনার হয়ত প্রবীণ অর্থমন্ত্রীর কথায় আঘাত পেয়েছেন। এটা আমাদেরও ভালো লাগেনি। পরে ওই মন্ত্রী টের পেয়েছেন। তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। এতে তার সম্মান ক্ষুণœ হয়নি। বরং বেরেছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ক্ষোভ থাকা ঠিক নয়। এ বিষয়গুলো আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান করা যেত। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ করে দেবেন এটা ঠিক নয়।
তিনি বলেন, এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা পে-স্কেল পাবেন। আর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা পাবেন না তা হয় না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে মেধাকে আকৃষ্ট করতে হবে। তাদের স্বতন্ত্র-পে-স্কেল পূরনে সরকারকে বিবেচনা করতে হবে। মানসম্পন্ন শিক্ষা দিতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষকদের মানসম্পন্ন বেতন ও সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।
গ্যাসের দাম বাড়ার প্রসঙ্গে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, বিশ্বে যখন তেলের দাম কমে। তখন বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়ে। এটা নিয়ে আলোচনা করে জনগণের যাতে কষ্ট না হয়, সে বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে। বাস ভাড়াসহ গণপরিবহণের ভাড়া কন্ট্রোলে রাখতে সরকারকে আরো আন্তরিক হতে হবে।
বেতন স্কেল বাড়ানো সম্পর্কে তিনি বলেন, বেতন স্কেল দ্বিগুণ বাড়ানোয় সরকার অসীম সাহসি ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু বেতন বারাইয়া দিলাম দ্বিগুণ, আর মূল্যস্ফিতী বাড়াবেন চারগুণ এটা হতে পারে না।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, সাম্যবাদী দলের কেন্দ্রীয় নেতা হারুন চৌধুরী প্রমুখ।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, ব্যাঙের ছাতার মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গজিয়ে উঠেছে। এদের কোনো ক্যম্পাস নেই। যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস নেই তাদের আবার কি বিশ্ববিদ্যালয়। একটি ভবনে পাঁচটি ক্যাম্পাস। আছে শুধু কবুতরের ক্ষোপ। এখানে নেই কোনো ভালো শিক্ষক। মাঝে মাঝে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এসে দুই একটা ক্লাস নেন। এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকরা লেখাপড়ার দিকে মন দেন না। মন দেন লাভের দিকে। তাই ভ্যাট শিক্ষার্থীরা দেবে কেন? ভ্যাট দেবে মালিকরা। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রনালয় ও মঞ্জুরি কমিশনকে ভূমিকা রাখতে হবে।
ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তোমরা না বুঝে আবেগপ্রবণ হয়ে কেন রাস্তায় নামলে। জনগণকে পক্ষে নিয়ে আন্দোলন করতে হবে। তোমরাতো জনগণের বিপক্ষে গেছো। যা আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান সম্ভব।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনার হয়ত প্রবীণ অর্থমন্ত্রীর কথায় আঘাত পেয়েছেন। এটা আমাদেরও ভালো লাগেনি। পরে ওই মন্ত্রী টের পেয়েছেন। তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। এতে তার সম্মান ক্ষুণœ হয়নি। বরং বেরেছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ক্ষোভ থাকা ঠিক নয়। এ বিষয়গুলো আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান করা যেত। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ করে দেবেন এটা ঠিক নয়।
তিনি বলেন, এমপিওভূক্ত শিক্ষকরা পে-স্কেল পাবেন। আর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা পাবেন না তা হয় না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে মেধাকে আকৃষ্ট করতে হবে। তাদের স্বতন্ত্র-পে-স্কেল পূরনে সরকারকে বিবেচনা করতে হবে। মানসম্পন্ন শিক্ষা দিতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষকদের মানসম্পন্ন বেতন ও সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।
গ্যাসের দাম বাড়ার প্রসঙ্গে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, বিশ্বে যখন তেলের দাম কমে। তখন বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়ে। এটা নিয়ে আলোচনা করে জনগণের যাতে কষ্ট না হয়, সে বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে। বাস ভাড়াসহ গণপরিবহণের ভাড়া কন্ট্রোলে রাখতে সরকারকে আরো আন্তরিক হতে হবে।
বেতন স্কেল বাড়ানো সম্পর্কে তিনি বলেন, বেতন স্কেল দ্বিগুণ বাড়ানোয় সরকার অসীম সাহসি ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু বেতন বারাইয়া দিলাম দ্বিগুণ, আর মূল্যস্ফিতী বাড়াবেন চারগুণ এটা হতে পারে না।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, সাম্যবাদী দলের কেন্দ্রীয় নেতা হারুন চৌধুরী প্রমুখ।
