জাতীয় দলের জনপ্রিয় ক্রিকেটার রুবেল হোসেনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বিনোদনের জগতে আলোচিত-সমালোচিত নায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপি। রুবেল কাহিনী শেষ হওয়ার পর নিজেকে আলোচিত রাখার জন্য ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্যালারিতে ফটোসেশন, কখনো ফেসবুকে সুইমিংপুলের ছবি পোস্ট, বিতর্কিত কথাবার্তা প্রভৃতিতে কিছুদিন পার করেন। সিনেমা-মডেলিংয়ের লোকজনও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। শেষমেশ হ্যাপি ঘোষণা দেন যে, চলচ্চিত্র ছেড়ে সৃষ্টিকর্তার প্রার্থনায় নিমগ্ন হবেন তিনি। সেই ঘোষণার পর তিনি জানিয়েছেন তাবলিগ জামাতে যোগ দিয়েছেন তিনি।
গত শনিবার তাবলিগে গিয়ে তার অভিজ্ঞতার কথা জানালেন। ফেসবুকে পোস্ট করে হ্যাপি জানিয়েছেন, “আজকে প্রথমবার তাবলিগে গিয়েছিলাম মুফতি উসামা ইসলাম ভাইয়ের বাসায়। পরিবেশটাই আলাদা ছিল। এমন একটি জায়গা হাজারো সুন্দর জায়গা থেকে অনেক বেশি সুন্দর ও পবিত্র কারণ সেখানে সবার ধ্যানে শুধু মহান আল্লাহ। সেখান থেকে আসতে ইচ্ছা করছিল না। মনে হচ্ছিল সারা রাত বসে কোরআনের ব্যাখ্যা আর হাদিস শুনি আর সবার সাথে আল্লাহকে প্রাণভরে ডাকি। উসামা ভাই চমৎকার বয়ান করেন। যার কারণে কথাগুলো মনে নাড়া দিতে বাধ্য এবং তিনি অসম্ভব ভালো একজন মানুষ। ইসলামের পথে চলার আশায় এমন একটি পরিবেশে যেতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। আমাদের সবারই উচিত আল্লাহর কথা মেনে চলা ও তার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা, যে পারে সে জান্নাতবাসী নিঃসন্দেহে! সুবহান আল্লাহ! আমরা সবসময়ই পবিত্র আর সুন্দর থাকতে পারি শুধু চিন্তা-ভাবনা যদি আল্লাহকে খুশি করার উদ্দেশ্য থাকে। কি হবে পরনিন্দা, মিথ্যা, অন্যায়, হিংসা-অহংকার এর মধ্যে থেকে? তার বিপরীতে যদি নামাজ, রোজা, আখলাক, পরোপকারিতা, কোরআন পাঠ ও নবীদের দেখানো পথে চলি তাহলেই জীবন সুন্দর ইহকাল ও পরকাল উভয় সময়ের জন্য।
গত শনিবার তাবলিগে গিয়ে তার অভিজ্ঞতার কথা জানালেন। ফেসবুকে পোস্ট করে হ্যাপি জানিয়েছেন, “আজকে প্রথমবার তাবলিগে গিয়েছিলাম মুফতি উসামা ইসলাম ভাইয়ের বাসায়। পরিবেশটাই আলাদা ছিল। এমন একটি জায়গা হাজারো সুন্দর জায়গা থেকে অনেক বেশি সুন্দর ও পবিত্র কারণ সেখানে সবার ধ্যানে শুধু মহান আল্লাহ। সেখান থেকে আসতে ইচ্ছা করছিল না। মনে হচ্ছিল সারা রাত বসে কোরআনের ব্যাখ্যা আর হাদিস শুনি আর সবার সাথে আল্লাহকে প্রাণভরে ডাকি। উসামা ভাই চমৎকার বয়ান করেন। যার কারণে কথাগুলো মনে নাড়া দিতে বাধ্য এবং তিনি অসম্ভব ভালো একজন মানুষ। ইসলামের পথে চলার আশায় এমন একটি পরিবেশে যেতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। আমাদের সবারই উচিত আল্লাহর কথা মেনে চলা ও তার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা, যে পারে সে জান্নাতবাসী নিঃসন্দেহে! সুবহান আল্লাহ! আমরা সবসময়ই পবিত্র আর সুন্দর থাকতে পারি শুধু চিন্তা-ভাবনা যদি আল্লাহকে খুশি করার উদ্দেশ্য থাকে। কি হবে পরনিন্দা, মিথ্যা, অন্যায়, হিংসা-অহংকার এর মধ্যে থেকে? তার বিপরীতে যদি নামাজ, রোজা, আখলাক, পরোপকারিতা, কোরআন পাঠ ও নবীদের দেখানো পথে চলি তাহলেই জীবন সুন্দর ইহকাল ও পরকাল উভয় সময়ের জন্য।
