উদ্যোক্তাদের জন্য এসডি এশিয়া এবং গ্রামীণফোন চালু করেছে ‘অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রাম’। বাংলাদেশের তথ্য এবং প্রযুক্তি খাতের স্টার্টআপদের উন্নয়ন প্লাটফর্ম হতে যাচ্ছে এই প্রোগ্রাম।
রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে প্রোগ্রামের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসডি এশিয়ার সহ-প্রতিষ্ঠাতা সামাদ মিরালি বলেছেন, অনেক উদ্যোক্তাই ব্যবসা শুরুর মাঝপথে এসে প্রয়োজনীয় ফান্ডের অভাবে পিছিয়ে যান। কেউবা সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। তাদের জন্যই এই ‘অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রাম’।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের স্ট্র্যাটিজি ডিরেক্টর আরল্যান্ড পেস্টগার্ড জানান, গ্রামীণফোন প্রযুক্তি বিষয়ক ব্যবসায় সবসময় আগ্রহী। বাংলাদেশেও আইসিটি খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আইসিটি নিয়ে যেসব ব্যবসা চালু হবে তাদেরকেই আমরা সাহায্য করতে চাই।
নতুন সব টেক স্টার্টআপদের সুযোগ করে দেবে ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রাম। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এসডি এশিয়া এবং গ্রামীণফোনের মধ্যকার চুক্তির কার্যক্রম শুরু হবে। এই চুক্তির মধ্যে দুই সেশনের ট্রেনিং পর্ব থাকবে।
প্রথম পর্ব শুরু হবে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। পরেরটি শুরু হবে একই বছরের জুনে। প্রতিটি সেশনে সেরা ৫টি স্টার্টআপ বাছাই করা হবে। সেই প্রক্রিয়ার শেষে ডেমোডে তে তাদের প্রজেক্ট গুলো বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরা হবে। নির্বাচিত প্রকল্পগুলো প্রজেক্ট বাস্তবায়নের জন্য ১০ লক্ষ টাকা পাবেন। এছাড়াও তারা গ্রামীনফোনের প্রধান কার্যালয় ‘জিপি হাউজে’ তাদের প্রকল্প নিয়ে কাজ করার জন্য অফিস স্পেস পাবেন। এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য হবে সম্ভাবনাময় টেক স্টার্ট-আপ গুলো সঠিক মেন্টরশিপ এবং ফান্ডের মাধ্যমে এগিয়ে নেয়া।
টেক নিয়ে যেকোনো স্টার্টআপই এই প্রোগ্রামে অংশ নিতে পারবেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সেরা ৫টি স্টার্ট আপ খুঁজে নেবার দায়িত্ব যৌথভাবে পালন করবে এসডি এশিয়া এবং গ্রামীণফোন।
অনুষ্ঠানে আরল্যান্ড পেস্টগার্ড, মুস্তাফিজুর রাহমান, সামাদ মিরালি ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন এসডি এশিয়ার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফায়াজ তাহের এবং জিপি অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রামের পরিচালক ফয়সাল কবির।

