জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু,
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নার্গিস পারভীনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আক্তার আক্তার (১৩) । বুধবার সন্ধ্যায় বাল্যবিয়েটি বন্ধ করা হয়। আলপনা সাধুরপাড়া কছর উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।
জানা গেছে, গাজীরপাড়া গ্রামের আহাব উদ্দিনের মেয়ে আলপনা আক্তারের সঙ্গে একই ইউনিয়নের মাঝেরপাড়া গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে এনামুল হকের (২০) বিয়ে ঠিক হয়। বুধবার সন্ধ্যায় বরপক্ষ মেয়ের বাড়িতে গেলে স'ানীয় স্কাউট দলের সদস্যরা বকশীগঞ্জ ইউএনওকে বাল্যবিয়ের খবর জানায়। তাৎক্ষনিক উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ বিয়ে বাড়িতে উপসি'ত হয়ে বাল্যবিয়ে টি বন্ধ করে দেন।
অপরদিকে বৃহস্পতিবার বিকালে একই ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামের আবুল কালাম মোল্লার নাবালিকা মেয়ে সাবিনা খাতুনের (১৫) বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতে পার্শ্ববতী আইরমারী গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে খোরশেদ আলমের (২৩) সঙ্গে সাবিনার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল । বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন করা হয়। খবর পেয়ে বিকালেই বিয়ে বাড়িতে হানা দেয় ইউএনও নার্গিস পারভীন । পরে জন্মনিবন্ধন সনদ দেখে সাবিনা বয়স কম হওয়ায় বিয়েটি বন্ধ করে দেন। একই সাথে সাবালিকা না হওয়ার আগে মেয়েকে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করায় সাবিনার বাবা আবুল কালাম মোল্লাকে ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নার্গিস পারভীনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আক্তার আক্তার (১৩) । বুধবার সন্ধ্যায় বাল্যবিয়েটি বন্ধ করা হয়। আলপনা সাধুরপাড়া কছর উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।
জানা গেছে, গাজীরপাড়া গ্রামের আহাব উদ্দিনের মেয়ে আলপনা আক্তারের সঙ্গে একই ইউনিয়নের মাঝেরপাড়া গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে এনামুল হকের (২০) বিয়ে ঠিক হয়। বুধবার সন্ধ্যায় বরপক্ষ মেয়ের বাড়িতে গেলে স'ানীয় স্কাউট দলের সদস্যরা বকশীগঞ্জ ইউএনওকে বাল্যবিয়ের খবর জানায়। তাৎক্ষনিক উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ বিয়ে বাড়িতে উপসি'ত হয়ে বাল্যবিয়ে টি বন্ধ করে দেন।
অপরদিকে বৃহস্পতিবার বিকালে একই ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া গ্রামের আবুল কালাম মোল্লার নাবালিকা মেয়ে সাবিনা খাতুনের (১৫) বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতে পার্শ্ববতী আইরমারী গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে খোরশেদ আলমের (২৩) সঙ্গে সাবিনার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল । বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন করা হয়। খবর পেয়ে বিকালেই বিয়ে বাড়িতে হানা দেয় ইউএনও নার্গিস পারভীন । পরে জন্মনিবন্ধন সনদ দেখে সাবিনা বয়স কম হওয়ায় বিয়েটি বন্ধ করে দেন। একই সাথে সাবালিকা না হওয়ার আগে মেয়েকে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করায় সাবিনার বাবা আবুল কালাম মোল্লাকে ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়।