ঋণ খেলাপির অভিযোগে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী)
আসনের উপনির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর
(বীর উত্তম) মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একই কারণে তার সহধর্মীনী নাসরিন
কাদের সিদ্দিকীরও মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা আলিমুজ্জামান তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
এদিকে, কাদের সিদ্দিকী দম্পতির মনোনয়নপত্র বাতিলের প্রতিবাদে বুধবার টাঙ্গাইলে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।
দলটির জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
এর আগে সোমবার রাত ৮টার দিকে কাদের সিদ্দিকীকে ঋণখেলাপি উল্লেখ করে উপনির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো।
ওই ফ্যাক্সবার্তায় বলা হয়েছে, অগ্রণী ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী কাদের সিদ্দিকী একজন ঋণখেলাপি। বেশ কয়েক বছর আগে সোনার বাংলা প্রকৌশলিক সংস্থা অগ্রণী ব্যাংক থেকে ১০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হওয়ায় এই ঋণের দায়ভার কাদের সিদ্দিকীর ওপরই বর্তায়।
মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা আলিমুজ্জামান তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
এদিকে, কাদের সিদ্দিকী দম্পতির মনোনয়নপত্র বাতিলের প্রতিবাদে বুধবার টাঙ্গাইলে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।
দলটির জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
এর আগে সোমবার রাত ৮টার দিকে কাদের সিদ্দিকীকে ঋণখেলাপি উল্লেখ করে উপনির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো।
ওই ফ্যাক্সবার্তায় বলা হয়েছে, অগ্রণী ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী কাদের সিদ্দিকী একজন ঋণখেলাপি। বেশ কয়েক বছর আগে সোনার বাংলা প্রকৌশলিক সংস্থা অগ্রণী ব্যাংক থেকে ১০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হওয়ায় এই ঋণের দায়ভার কাদের সিদ্দিকীর ওপরই বর্তায়।

