ডাঃ জি এম ক্যাপ্টেন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি ঃ
কুড়িগ্রামের রাজারহাট খাদ্য গুদামে বোরো ধান সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে ধান সংগ্রহ চলছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
সাধারণ কৃষক ছাড়াই খাদ্য ব্যবসায়ীরা কৌশলে কৃষি ভর্তুকির কিছু সংখ্যক আইডি কার্ড সংগ্রহ করে রাজারহাট উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার যোগসাজসে টন প্রতি ৩ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়ে অভিনব পদ্ধতিতে ধান খাদ্য গুদামে ঢুকাচ্ছেন। এতে করে বর্তমান সরকারের দেয়া ভূর্তকির সুবিধা থেকে সাধারণ কৃষকরা যেমন বঞ্চিত হচ্ছে তেমনি সরকারের ভাবমুর্তিও ক্ষুন্ন হচ্ছে।
জানা গেছে, উপজেলার সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের জন্য মোট ২৩০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের বরাদ্দ আসে এবং কৃষকদের কাছ থেকে প্রতিকেজি ধান ২২ টাকা দরে নির্ধারণ করা হয়। রাজারহাট সদর ইউপির ১১৮৮ জন কৃষকের বিপরীতে ৪৫ মেট্রিক টন, চাকিরপশার ৬১৭ জন কৃষকের বিপরীতে ৩৭ মেট্রিক টন, বিদ্যানন্দের ৫০২ জন কৃষকের বিপরীতে ২৫ মেট্রিক টন, নাজিমখান ৩০৮ জন কৃষকের বিপরীতে ৩০ মেট্রিক টন, উমর মজিদ ইউপির ২৬৯ জন কৃষকের বিপরীতে ৩৫ মেট্রিক টন, ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপির ৫৩৯ জন কৃষকের বিপরীতে ৩০ মেট্রিক টন, ছিনাই ইউপির ৫৭০ জন কৃষকের বিপরীতে ২৮ মেট্রিক টন করে বরাদ্দ দেয়া হয়।
উপজেলার কিছু অসাধু খাদ্য ব্যবসায়ী নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে টন প্রতি ৩ হাজার টাকা উৎকোচের বিনিময়ে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে খাদ্য গুদামে ধান ঢুকাচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা ৭টি ইউনিয়নের তালিকা ভুক্ত কৃষকদের ভর্তকির কার্ড ম্যানেজ করে ১০-১৫ টি কৃষি ভর্তুকির কার্ড একত্রে করে একটি করে বান্ডিল রেখে ওইসব বান্ডিলে ৮ থেকে ১২ জন ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করা আছে।
উমর মজিদ ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল ওহাব মন্ডল জানান, প্রকৃত কৃষকরা খাদ্য গুদামে কোন ধান দিতে পারছেন না। বরং কৃষি অফিসার ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (বিএস)-এর মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার অজুহাতে ফোন করে কৃষকদের কার্ডগুলো নিয়ে ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেন।
ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাদেকুল হক বলেন, খাদ্য গুদামে ধান ঢুকানোর বিষয়ে আমরা কিছুই জানিনা।
বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের কৃষক মোন্নাফ জানান, আমরা ৩-৪শ’ মন করে ধান বরাদ্দ পেলেও সংশ্লিষ্ট কৃষি উপসহকারী অফিসার খাদ্য গুদামে ধান ঢুকানোর বিষয়ে আমাদের কিছুই জানাননি। অথচ যাদের কোন জমি-জমা নাই, তাদের কৃষি ভর্তকির কার্ড ম্যানেজ করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ধান ঢুকাচ্ছেন। আর আমরা ধান খাদ্য গুদামে নিয়ে গেলে বিভিন্ন অজুহাতে ধান ফেরত দেয়া হয়। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার ষষ্টী চন্দ্র রায় অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এগুলো কথা ভিত্তিহীন। আমাদের উপসহকারী অফিসারের এরকম কোন অভিযোগ যদি পাওয়া যায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস'া নেয়া হবে।
এ বিষয়ে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফাকে জিজ্ঞাস করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হননি।
অথচ লোক দেখানো অল্প সংখ্যক ভর্তুকির আইডি কার্ড সামনে রেখে টনে টনে ধান খাদ্য গুদামে ঢুকানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলামের সাথে তাঁর মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, অসাধু ব্যবসায়ী কিংবা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভর্তুকির কার্ড দিয়ে ধান খাদ্য গুদামে ঢুকানো হচ্ছে কিনা এ বিষয়ে আমি এখনো অবগত নই। আপনাদের জানা থাকলে বলেন।
গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজারহাট খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহের উদ্বোধন করা হয়। ধান সংগ্রহ অভিযান আগামী ১৫ আক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট খাদ্য গুদামে বোরো ধান সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে ধান সংগ্রহ চলছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
সাধারণ কৃষক ছাড়াই খাদ্য ব্যবসায়ীরা কৌশলে কৃষি ভর্তুকির কিছু সংখ্যক আইডি কার্ড সংগ্রহ করে রাজারহাট উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার যোগসাজসে টন প্রতি ৩ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়ে অভিনব পদ্ধতিতে ধান খাদ্য গুদামে ঢুকাচ্ছেন। এতে করে বর্তমান সরকারের দেয়া ভূর্তকির সুবিধা থেকে সাধারণ কৃষকরা যেমন বঞ্চিত হচ্ছে তেমনি সরকারের ভাবমুর্তিও ক্ষুন্ন হচ্ছে।
জানা গেছে, উপজেলার সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের জন্য মোট ২৩০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের বরাদ্দ আসে এবং কৃষকদের কাছ থেকে প্রতিকেজি ধান ২২ টাকা দরে নির্ধারণ করা হয়। রাজারহাট সদর ইউপির ১১৮৮ জন কৃষকের বিপরীতে ৪৫ মেট্রিক টন, চাকিরপশার ৬১৭ জন কৃষকের বিপরীতে ৩৭ মেট্রিক টন, বিদ্যানন্দের ৫০২ জন কৃষকের বিপরীতে ২৫ মেট্রিক টন, নাজিমখান ৩০৮ জন কৃষকের বিপরীতে ৩০ মেট্রিক টন, উমর মজিদ ইউপির ২৬৯ জন কৃষকের বিপরীতে ৩৫ মেট্রিক টন, ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপির ৫৩৯ জন কৃষকের বিপরীতে ৩০ মেট্রিক টন, ছিনাই ইউপির ৫৭০ জন কৃষকের বিপরীতে ২৮ মেট্রিক টন করে বরাদ্দ দেয়া হয়।
উপজেলার কিছু অসাধু খাদ্য ব্যবসায়ী নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে টন প্রতি ৩ হাজার টাকা উৎকোচের বিনিময়ে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে খাদ্য গুদামে ধান ঢুকাচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা ৭টি ইউনিয়নের তালিকা ভুক্ত কৃষকদের ভর্তকির কার্ড ম্যানেজ করে ১০-১৫ টি কৃষি ভর্তুকির কার্ড একত্রে করে একটি করে বান্ডিল রেখে ওইসব বান্ডিলে ৮ থেকে ১২ জন ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করা আছে।
উমর মজিদ ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল ওহাব মন্ডল জানান, প্রকৃত কৃষকরা খাদ্য গুদামে কোন ধান দিতে পারছেন না। বরং কৃষি অফিসার ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (বিএস)-এর মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার অজুহাতে ফোন করে কৃষকদের কার্ডগুলো নিয়ে ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেন।
ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাদেকুল হক বলেন, খাদ্য গুদামে ধান ঢুকানোর বিষয়ে আমরা কিছুই জানিনা।
বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের কৃষক মোন্নাফ জানান, আমরা ৩-৪শ’ মন করে ধান বরাদ্দ পেলেও সংশ্লিষ্ট কৃষি উপসহকারী অফিসার খাদ্য গুদামে ধান ঢুকানোর বিষয়ে আমাদের কিছুই জানাননি। অথচ যাদের কোন জমি-জমা নাই, তাদের কৃষি ভর্তকির কার্ড ম্যানেজ করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ধান ঢুকাচ্ছেন। আর আমরা ধান খাদ্য গুদামে নিয়ে গেলে বিভিন্ন অজুহাতে ধান ফেরত দেয়া হয়। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার ষষ্টী চন্দ্র রায় অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এগুলো কথা ভিত্তিহীন। আমাদের উপসহকারী অফিসারের এরকম কোন অভিযোগ যদি পাওয়া যায়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস'া নেয়া হবে।
এ বিষয়ে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফাকে জিজ্ঞাস করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হননি।
অথচ লোক দেখানো অল্প সংখ্যক ভর্তুকির আইডি কার্ড সামনে রেখে টনে টনে ধান খাদ্য গুদামে ঢুকানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলামের সাথে তাঁর মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, অসাধু ব্যবসায়ী কিংবা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ভর্তুকির কার্ড দিয়ে ধান খাদ্য গুদামে ঢুকানো হচ্ছে কিনা এ বিষয়ে আমি এখনো অবগত নই। আপনাদের জানা থাকলে বলেন।
গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজারহাট খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহের উদ্বোধন করা হয়। ধান সংগ্রহ অভিযান আগামী ১৫ আক্টোবর পর্যন্ত চলবে।