নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বাঘারচর এলাকায় ফাঁদে ফেলে হাতি হত্যার কারণে ১৮ অক্টোবর রোববার রাতে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বন্য প্রানী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন/২০১২ এর ৩৬ ধারায় মামলা রুজ্জু করা হয়েছে। মামলা নং-২৯।
শেরপুর অঞ্চলের প্রধান বন কর্মকর্তাকে বাদী করে পাথরেরচর বাঘারচর ও মাখনেরচর গ্রামের অজ্ঞাত ২২/২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর হাতি মারার কাজে ব্যবহৃত বৈদুত্যিক জেনারেটরটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এছাড়া হাতি হত্যার ঘটনায় জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলমগীরের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে দেওয়ানগঞ্জ সার্কেল এএসপি, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা, উপজেলা সহকারী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা, জামালপুরের সহকারী বন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিজিবি বিওপি কমান্ডারকে সদস্য হিসাবে মনোনিত করা হয়েছে।
এ কমিটি সরজমিনে পরিদর্শন করে ৭দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিবেন বলে জানা গেছে।
মামলার ভয়ে ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরেরচর, বাঘারচর ও মাখনেরচর এখন পুরুষশুন্য।
উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর রোববার রাতে স'ানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ ফটিকের নেতৃত্বে গ্রামবাসীরা জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুতিক তারে জড়িয়ে ২টি হাতিকে হত্যা করে। তারা হাতির দাত ও মুলবান শুর, কান কেটে নেয়।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বাঘারচর এলাকায় ফাঁদে ফেলে হাতি হত্যার কারণে ১৮ অক্টোবর রোববার রাতে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বন্য প্রানী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন/২০১২ এর ৩৬ ধারায় মামলা রুজ্জু করা হয়েছে। মামলা নং-২৯।
শেরপুর অঞ্চলের প্রধান বন কর্মকর্তাকে বাদী করে পাথরেরচর বাঘারচর ও মাখনেরচর গ্রামের অজ্ঞাত ২২/২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর হাতি মারার কাজে ব্যবহৃত বৈদুত্যিক জেনারেটরটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এছাড়া হাতি হত্যার ঘটনায় জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আলমগীরের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে দেওয়ানগঞ্জ সার্কেল এএসপি, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা, উপজেলা সহকারী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা, জামালপুরের সহকারী বন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিজিবি বিওপি কমান্ডারকে সদস্য হিসাবে মনোনিত করা হয়েছে।
এ কমিটি সরজমিনে পরিদর্শন করে ৭দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিবেন বলে জানা গেছে।
মামলার ভয়ে ডাংধরা ইউনিয়নের পাথরেরচর, বাঘারচর ও মাখনেরচর এখন পুরুষশুন্য।
উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর রোববার রাতে স'ানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ ফটিকের নেতৃত্বে গ্রামবাসীরা জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুতিক তারে জড়িয়ে ২টি হাতিকে হত্যা করে। তারা হাতির দাত ও মুলবান শুর, কান কেটে নেয়।