নিজস্ব প্রতিবেদক
বকশীগঞ্জে ১ নভেম্বর থেকে জেএসসি ও ভোকেশনাল শাখার পরীক্ষা শুরু হয়েছে। চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা নকল মুক্ত , শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবার বকশীগঞ্জে জেএসসি, জেডিসি ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ১০ টি কেন্দ্র রয়েছে। কেন্দ্র ১০ টি ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য কেন্দ্রের চেয়ে চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে নির্বিঘ্নে ও মনোরম পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রশাসনের কর্মকর্তারাও সার্বিক ব্যবস'াপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ছানোয়ার হোসেন পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
নকলমুক্ত পরিবেশে ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারায় পরীক্ষার্থীরাও ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজে প্রতিবছরই সুনামের সাথে পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম জামালপুর জেলার গন্ডি পেরিয়ে বিভাগীয় শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে।
বকশীগঞ্জে ১ নভেম্বর থেকে জেএসসি ও ভোকেশনাল শাখার পরীক্ষা শুরু হয়েছে। চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা নকল মুক্ত , শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবার বকশীগঞ্জে জেএসসি, জেডিসি ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ১০ টি কেন্দ্র রয়েছে। কেন্দ্র ১০ টি ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য কেন্দ্রের চেয়ে চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে নির্বিঘ্নে ও মনোরম পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রশাসনের কর্মকর্তারাও সার্বিক ব্যবস'াপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ছানোয়ার হোসেন পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
নকলমুক্ত পরিবেশে ও সুষ্ঠু পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারায় পরীক্ষার্থীরাও ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজে প্রতিবছরই সুনামের সাথে পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম জামালপুর জেলার গন্ডি পেরিয়ে বিভাগীয় শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে।
