সেবা ডেস্ক: বহুদিন পর দেশের ফুটবলে ভালো সংবাদ এল। প্রথমবারের মতো আয়োজিত শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী। গত শুক্রবার উত্তাপ ছড়ানো ফাইনালে চট্টগ্রাম আবাহনী ৩-১ গোলে হারিয়েছে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ইস্টবেঙ্গলকে। চ্যাম্পিয়ন ট্রফিটা ঘরে রাখার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিল টুর্নামেন্টের আয়োজক চট্টগ্রাম আবাহনী। স্বপ্নপূরণ হয়েছে তাদের। তারা হাসি ফুটিয়েছেন দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মুখে। অভিনন্দন চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম আবাহনী ফুটবল দলকে। এই জয় দেশের ফুটবলে নতুন করে জাগরণ আনবে এমন প্রত্যাশা আমাদের।
বাংলাদেশে একসময় ফুটবল ছিল সর্বাধিক জনপ্রিয় ও দর্শকনন্দিত খেলা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের ফুটবলে একসময় কিছু সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। বাংলাদেশের ফুটবলে আবাহনী মোহামেডান ক্লাবের প্রতিদ্ব›িদ্বতা কিংবদন্তিসম। দেশের ফুটবলে কিছু কৃতী খেলোয়াড় এখনো অতুল খ্যাতি নিয়ে আছেন। পেছন ফিরে তাকালে আমরা বাংলাদেশের ফুটবলের সোনালি অতীতই দেখব। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ফুটবল জাতীয় দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েই ১৯৭৪ সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে এবং ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে শুভসূচনা করে। সেখানে বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। ঔজ্জ্বল্য হারিয়েছে, গুটিয়ে গেছে ফুটবল। সত্যি কথা যে দেশে ক্রিকেটের সাফল্যের বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করছে ফুটবল। যা হওয়ার কথা ছিল না।
অবশ্য এরপর দেশে বড় আন্তর্জাতিক আসর আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফুটবলকে চাঙ্গা করার চেষ্টা হয়েছে। ৮০র দশকে প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপের বেশ কয়টি আসর আয়োজন করে বাংলাদেশ। এরপর উল্লেখযোগ্য বঙ্গবন্ধু কাপ, যার সূচনা ১৯৯৬ সালে। ১৯৯৯ সালে দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তারও ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়ে। ১৫ বছর গত জানুয়ারিতে আবারো অনুষ্ঠিত হলো বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ। এবারে এশিয়ার ছয়টি দল অংশগ্রহণ করে এবং এই প্রতিযোগিতা ফিফার অফিশিয়াল স্বীকৃতি পায়। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ফাইনালে খেলে, যদিও চ্যাম্পিয়ন হয় মালয়েশিয়া। এর পরপরই দেশে আয়োজিত হলো ফুটবলের আরেকটি বড় আসর শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম এক স্বপ্নদ্রষ্টার নামাঙ্কিত এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দেশের ক্লাব চট্টগ্রাম আবাহনী।
বলাই বাহুল্য দেশের ফুটবলে দীর্ঘদিন পর উল্লেখযোগ্য এক জাগরণ দেখছি আমরা। দেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে এই জাগরণকে ধরে রাখতে হবে। সত্যি কথা বলতে কি এখনকার প্রজন্ম পেশাদার ফুটবলে আগ্রহহীন হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে সেই আগ্রহ জাগিয়ে তুলতে হবে। শুধু রাজধানী বা বড় কয়টি শহরের গণ্ডি থেকে ফুটবলকে বের করে প্রত্যন্ত জনপদ পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে হবে। এর জন্য দরকার ফুটবল অবকাঠামোর উন্নয়ন। বাড়াতে হবে ফুটবল মাঠের সংখ্যা। আন্তঃস্কুল, আন্তঃকলেজের পাশাপাশি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ফুটবল খেলার আয়োজন থাকতে হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ফুটবল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা দরকার বেশি বেশি খেলার সুযোগ। দেশে বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। তবে ঘরোয়া লিগ যথাযথ গুরুত্ব পাওয়া উচিত। সরকার ও সংশ্লিষ্টরা আন্তরিকভাবে সচেষ্ট থাকলে ফুটবলে কাক্সিক্ষত সাফল্যও আমাদের অধরা থাকবে না বলেই আমাদের বিশ্বাস।
বাংলাদেশে একসময় ফুটবল ছিল সর্বাধিক জনপ্রিয় ও দর্শকনন্দিত খেলা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের ফুটবলে একসময় কিছু সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। বাংলাদেশের ফুটবলে আবাহনী মোহামেডান ক্লাবের প্রতিদ্ব›িদ্বতা কিংবদন্তিসম। দেশের ফুটবলে কিছু কৃতী খেলোয়াড় এখনো অতুল খ্যাতি নিয়ে আছেন। পেছন ফিরে তাকালে আমরা বাংলাদেশের ফুটবলের সোনালি অতীতই দেখব। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ফুটবল জাতীয় দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েই ১৯৭৪ সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে এবং ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে শুভসূচনা করে। সেখানে বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। ঔজ্জ্বল্য হারিয়েছে, গুটিয়ে গেছে ফুটবল। সত্যি কথা যে দেশে ক্রিকেটের সাফল্যের বিপরীত প্রান্তে অবস্থান করছে ফুটবল। যা হওয়ার কথা ছিল না।
অবশ্য এরপর দেশে বড় আন্তর্জাতিক আসর আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফুটবলকে চাঙ্গা করার চেষ্টা হয়েছে। ৮০র দশকে প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপের বেশ কয়টি আসর আয়োজন করে বাংলাদেশ। এরপর উল্লেখযোগ্য বঙ্গবন্ধু কাপ, যার সূচনা ১৯৯৬ সালে। ১৯৯৯ সালে দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তারও ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়ে। ১৫ বছর গত জানুয়ারিতে আবারো অনুষ্ঠিত হলো বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ। এবারে এশিয়ার ছয়টি দল অংশগ্রহণ করে এবং এই প্রতিযোগিতা ফিফার অফিশিয়াল স্বীকৃতি পায়। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ফাইনালে খেলে, যদিও চ্যাম্পিয়ন হয় মালয়েশিয়া। এর পরপরই দেশে আয়োজিত হলো ফুটবলের আরেকটি বড় আসর শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম এক স্বপ্নদ্রষ্টার নামাঙ্কিত এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দেশের ক্লাব চট্টগ্রাম আবাহনী।
বলাই বাহুল্য দেশের ফুটবলে দীর্ঘদিন পর উল্লেখযোগ্য এক জাগরণ দেখছি আমরা। দেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে এই জাগরণকে ধরে রাখতে হবে। সত্যি কথা বলতে কি এখনকার প্রজন্ম পেশাদার ফুটবলে আগ্রহহীন হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে সেই আগ্রহ জাগিয়ে তুলতে হবে। শুধু রাজধানী বা বড় কয়টি শহরের গণ্ডি থেকে ফুটবলকে বের করে প্রত্যন্ত জনপদ পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে হবে। এর জন্য দরকার ফুটবল অবকাঠামোর উন্নয়ন। বাড়াতে হবে ফুটবল মাঠের সংখ্যা। আন্তঃস্কুল, আন্তঃকলেজের পাশাপাশি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ফুটবল খেলার আয়োজন থাকতে হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ফুটবল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা দরকার বেশি বেশি খেলার সুযোগ। দেশে বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। তবে ঘরোয়া লিগ যথাযথ গুরুত্ব পাওয়া উচিত। সরকার ও সংশ্লিষ্টরা আন্তরিকভাবে সচেষ্ট থাকলে ফুটবলে কাক্সিক্ষত সাফল্যও আমাদের অধরা থাকবে না বলেই আমাদের বিশ্বাস।