ঢাকা ডায়নামাইটসের বিরুদ্ধে দাপুটে জয় পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। সাকিবের বোলিং নৈপুণ্যে ৬৯ রানে জিতেছে তারা।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান করে রংপুর। জবাবে ১৯ ওভার তিন বল ব্যাট করে ১০৭ রানে অল আউট হয়ে যায় ঢাকা।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। শুরুটা ভালোই করেন দুই ওপেনার লেন্ডল সিমন্স ও সৌম্য সরকার। ২৭ বল মোকাবেলা করে স্কোর বোর্ডে ৩৮ রান যোগ করেন তারা। সৌম্যকে ফিরিয়ে ঢাকাকে প্রথম সাফল্য এনে দেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। ১০ বলে ১৮ রান করেন সৌম্য।
এরপর মোহাম্মদ মিথুনকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন সিমন্স। তা করতে গিয়ে সিমন্স নিজে পেয়ে যান হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ। তবে অর্ধশতকের পর নিজের স্কোরটা বড় করতে পারেননি তিনি। ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ওভার বাউন্ডারিতে ৩৯ বলে ৫১ রান করেন সিমন্স।
মিডল-অর্ডারে ব্যাট হাতে দলকে বড় স্কোরের পথ দেখিয়েছেন শ্রীলংকার থিসারা পেরেরা। পাকিস্তানের মিসবাহ উল হক একাদশে না থাকায় ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন পান পেরেরা। এ ম্যাচে দ্রুত রান তুলেছেন পেরেরা। ২টি করে বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারিতে ২০ বলে ২৭ রান করেন তিনি। মাঝে মিথুন ফিরেছেন ২২ বলে ৩৪ রান করে।
ফলে শেষ অবধি দলকে টেনে নেয়ার দায়িত্ব গিয়ে বর্তায় অধিনায়কের সাকিবের কাঁধে। কারণ ওয়েস্ট ইন্ডিজের ড্যারেন স্যামি মাত্র ৩ রান করে ফিরে যান। অবশ্য নিজের দায়িত্বটা ভালোভাবেই করেছেন সাকিব। ছয় নম্বরে ব্যাটিং-এ নেমে ৩টি চারের সহায়তায় ১৫ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ফলে ৬ উইকেটে ১৭৬ রান সংগ্রহ পায় রংপুর। ঢাকার পক্ষে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ ও ইয়াসির শাহ।
১৭৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৫ রানের মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে ফেলে ঢাকা ডায়নামাইটস। দুইজনকেই তুলে নেন রংপুরের অধিনায়ক সাকিব। এরপরে আর একবারের জন্যও ম্যাচে ফিরতে পারেনি ঢাকা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। কুমার সাঙ্গাকারা ২৮ বল খেলে ২৯ রান করেন। এটিই ঢাকার ইনিংসের সর্বোচ্চ রান। এরপর আর সাকিব-পেরেরাদের বলে আর কেউ দাঁড়াতে পারেনি। ১৯ ওভার তিন বল শেষে মাত্র ১০৭ রানে অল আউট হয়ে যায় ঢাকা ডায়নামাইটস। সাকিব ৪ ওভার বল করে মাত্র ১৬ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়েছেন। থিসারা পেরেরা ২৫ রান দিয়ে নিয়েছেন তিন উইকেট। ক্রিকইনফো।

