পাকিস্তানে কারখানা দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭

S M Ashraful Azom
পাকিস্তানে কারখানা ধসের ঘটনায় শুক্রবার মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। ধসে পড়া ওই কারখানাটির ধ্বংসস্তূপ খুঁড়তে উদ্ধার কর্মীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে।  পাকিস্তানের কর্মকর্তারা একথা জানিয়ে আরো ২৫ জনের মৃতদেহ উদ্ধারের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। 
 
পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরের কাছে চারতলা বিশিষ্ট রাজপুত পলিস্টার পলিথিন ব্যাগ কারখানাটি ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ইতোমধ্যেই শতাধিক লোককে উদ্ধার করা হয়েছে।  বুধবার বিকেলে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন মানুষ ধ্বংসস্তূপের ভেতর আটকা পড়ে।  তবে এখনো ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আর কারো জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। পাঞ্জাবের উদ্ধার সংস্থার প্রধান আরশাদ জিয়া বলেন, আমরা ৩৭ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছি এবং এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আর কারও জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা কম। তবুও আমরা মৃতদেহের সন্ধানে তল্লাশী চালাচ্ছি।
 
সৈন্য ও উদ্ধার কর্মীরা কারখানার সামনে থেকে ধ্বংসস্তূপ সরানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এখন তারা আরো মৃতদেহের সন্ধানে ভবনটির পিছনের একটি অংশে গেছে। সেখানে আরো মৃতদেহ পাওয়া যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।  জিয়া বলেন, আমরা কারখানার ওই অংশে আরো অন্তত ২৫ জনের মৃতদেহের সন্ধান পাব বলে ধারণা করছি। ভবনটি ধসে পড়ার সময় সেখানে কতজন লোক ছিল অথবা আটকা পড়াদের মধ্যে কতজন জীবিত রয়েছে তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।  তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবনটি ধসের সময় সেখানে অন্তত ১৫০ লোক ছিল।
 
 
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বলেছেন, ২৬ অক্টোবরের ভূমিকম্পে কারখানাটির ক্ষতি হয়েছিল। ওই ভয়াবহ ভূমিকম্পে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের ৪০০ লোক প্রাণ হারায়। প্রাদেশিক শ্রমমন্ত্রী রাজা আশফাক সারওয়ার বলেন, এই কারখানা ধসের ঘটনায় একটি তদন্ত শুরু হয়েছে। আমরা সব দিক থেকে এই ঘটনাটি খতিয়ে দেখব। একই নগরীতে গত বছর একটি মসজিদ ধসে পড়ে অন্তত ২৪ জন প্রাণ হারায়।  এছাড়াও ২০১৪ সালে এখানে ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যার কারণে ধসে ২০০ জনের বেশি লোক মারা যায়। এদের বেশির ভাগের মৃত্যু হয়েছে ছাদ ধসে। বাসস।
ট্যাগস

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top