সেবা ডেস্ক:
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত কয়েকদিনে দলিল লেখকদের লাইসেন্স নবায়নের নামে দলিল লেখকদের কাছ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেছেন রেজিস্ট্রি অফিসের ভুক্তভোগী দলিল লেখকরা। সনদ বাতিলের ভয়ে বাধ্য হয়ে এসব দলিল লেখকরা অতিরিক্ত টাকা দিচ্ছেন।
অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলা রেজিস্ট্রি অফিসে ১’শত ত্রিশ জন দলিল লেখক কর্মরত রয়েছেন। নিয়ম অনুয়ায়ী প্রতিবছর দলিল লেখকদের লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। প্রতিটি লাইসেন্স নবায়নে ভ্যাটসহ সরকারি ফি ২৮৭ টাকা ৫০ পয়সা জমা দিয়ে জমাকৃত রশিদসহ আবেদনপত্র উপজেলা সাবরেজিস্ট্্রার বরাবর জমা দিতে হয়। চলতি বছর লাইসেন্স নবায়নের জন্য দলিল লেখকরা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে সরকারি নির্ধারিত ফি জমা দেন। পরে টাকা জমার রশিদসহ আবেদনপত্র সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দেয়ার সময় প্রতি দলিল লেখকদের কাছ থেকে বাড়তি তিন হাজার টাকা করে আদায় করা হয়। তবে দলিল লেখক সমিতির কতিপয় নেতাদের কাছ থেকে এই অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়নি। এ ছাড়া সাব-রেজিস্ট্রার ভাগবত নারায়ন পাল উপজেলা রেজিস্ট্রি অফিসে যোগদান করার পর থেকে অফিসটি অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এখানে প্রতিনিয়ত দলিল রেজিস্ট্রি করতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সরকারী নির্ধারিত ফি ছাড়াও বিভিন্ন ফির অজুহাত দেখিয়ে দলিল প্রতি বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়। হয়রানির ভয়ে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত টাকা দিয়ে দলিল সম্পন্ন করতে বাধ্য হচ্ছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলিল লেখকরা জানান, উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার ভাগবত নারায়ন পাল সনদ নবায়নের নামে লাইসেন্স প্রতি তিন হাজার টাকা করে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ঘুষের টাকা না দিলে সনদ বাতিল হওয়ার আংশকায় দাবিকৃত টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার ভাগবত নারায়ন পাল লাইসেন্স নবায়নের নামে আমার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন নিয়ম মেনেই লাইসেন্স নবায়নের কাজ করা হচ্ছে। দলিল লেখকদের মধ্যে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে।
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত কয়েকদিনে দলিল লেখকদের লাইসেন্স নবায়নের নামে দলিল লেখকদের কাছ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেছেন রেজিস্ট্রি অফিসের ভুক্তভোগী দলিল লেখকরা। সনদ বাতিলের ভয়ে বাধ্য হয়ে এসব দলিল লেখকরা অতিরিক্ত টাকা দিচ্ছেন।
অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলা রেজিস্ট্রি অফিসে ১’শত ত্রিশ জন দলিল লেখক কর্মরত রয়েছেন। নিয়ম অনুয়ায়ী প্রতিবছর দলিল লেখকদের লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। প্রতিটি লাইসেন্স নবায়নে ভ্যাটসহ সরকারি ফি ২৮৭ টাকা ৫০ পয়সা জমা দিয়ে জমাকৃত রশিদসহ আবেদনপত্র উপজেলা সাবরেজিস্ট্্রার বরাবর জমা দিতে হয়। চলতি বছর লাইসেন্স নবায়নের জন্য দলিল লেখকরা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে সরকারি নির্ধারিত ফি জমা দেন। পরে টাকা জমার রশিদসহ আবেদনপত্র সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দেয়ার সময় প্রতি দলিল লেখকদের কাছ থেকে বাড়তি তিন হাজার টাকা করে আদায় করা হয়। তবে দলিল লেখক সমিতির কতিপয় নেতাদের কাছ থেকে এই অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়নি। এ ছাড়া সাব-রেজিস্ট্রার ভাগবত নারায়ন পাল উপজেলা রেজিস্ট্রি অফিসে যোগদান করার পর থেকে অফিসটি অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এখানে প্রতিনিয়ত দলিল রেজিস্ট্রি করতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সরকারী নির্ধারিত ফি ছাড়াও বিভিন্ন ফির অজুহাত দেখিয়ে দলিল প্রতি বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়। হয়রানির ভয়ে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত টাকা দিয়ে দলিল সম্পন্ন করতে বাধ্য হচ্ছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলিল লেখকরা জানান, উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার ভাগবত নারায়ন পাল সনদ নবায়নের নামে লাইসেন্স প্রতি তিন হাজার টাকা করে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ঘুষের টাকা না দিলে সনদ বাতিল হওয়ার আংশকায় দাবিকৃত টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার ভাগবত নারায়ন পাল লাইসেন্স নবায়নের নামে আমার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন নিয়ম মেনেই লাইসেন্স নবায়নের কাজ করা হচ্ছে। দলিল লেখকদের মধ্যে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে।
খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।