"পাওয়ার টিলার চালিত সিডারের সাহায্যে বাঁশখালীতে গমের বীজ বপন প্রদর্শনী স্থাপন"

Unknown

শিব্বির আহমদ রানা, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম : খামার যান্ত্রিকরণের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প দ্বিতীয় পর্যায়ে বাঁশখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে (গতকাল ৯ ডিসেম্বর) পাওয়ার টিলার চালিত সিডারের সাহায্যে বাঁশখালীর সরল এবং গন্ডামারা ইউনিয়নে বাঁশখালীতেই প্রথম গমের বীজ বপন করা হল। সরলের কৃষক মো. বাদশাহর ১ বিঘা ও গন্ডামারায় কৃষক মো. রমিজুল হক'র ১ বিঘা জমিতে এই যন্ত্রের সাহায্যে বীজ বপন করা হয়।

উক্ত প্রদর্শনী স্থাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন সরলের দায়িত্বরত উপ সহকারী কৃষি অফিসার বাবু শ্রীধাম তালুকদার এবং গন্ডামারার দায়িত্বরত উপ সহকারী কৃষি অফিসার জনাব মো. শহীদ উল্লাহ।

 জনাব শহিদ উল্লাহ জানায় বাঁশখালী উপকূলীয় এলাকা গম চাষের জন্য উপযোগী বিবেচনায় কৃষকদেরকে গম চাষের জন্য উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে। কেননা এখানকার  উপযুক্ত জমি ও মাটি বিশেষ করে  উঁচু ও মাঝারি দোঅাঁশ মাটি গম চাষের জন্য বেশী উপযোগী। বাঁশখালীতে পানির পর্যাপ্ত অভাব তাই এলাকায় এই গম চাষ করতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


তিনি আরো বলেন গম চাষের জন্য সেচ কম লাগে। তাছাড়া পাঁচ বার সেচ দিলে চলবে অর্থাৎ ধানের চার ভাগের এক ভাগ পানি খরচ পড়বে।

উপকূলীয় এলাকায় সাধারণত লবণাক্ত জমির পরিমাণ বেশি। লবণাক্ত জমি গম চাষের জন্য তেমন উপযোগী নয়। উপকূলীয় এলাকায় যেখানে সবজি চাষ হয় এমন জমিকে তারা গম চাষের জন্য বাছাই করে প্রথম পর্যায়ে বারি গম -২৫ ও বারি গম - ২৬ এই জাত দুটি বপন করছে।

আবহাওয়া হালকা লবণাক্ত হলেও এই জাত দুটি ভালো হয় বলে জানান তিনি। যদি ফলন আশানুরূপ হয় তাহলে উক্ত এলাকায় চাষবাদ বাড়ানো হবে এই ফসলের।

১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর তবে এই জমিগুলো তৈরি করতে হয়। এই সময় টুকু গমের বীজ বপনের উপযুক্ত।

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top