এম. সুরুজ্জামান, শেরপুর প্রতিনিধি: ঢাকা বোর্ড কর্তৃক আন্তঃ কলেজ ক্রিকেট প্রতিযোগীতার চূড়ান্ত পর্বের খেলায় রান নিয়ে বিরোধে শেরপুর কলেজের সরকারী কলেজের শারীরিক শিক্ষকসহ ১৯ ছাত্রকে বেধরক পিটিয়ে জখম করেছে স্বাগতিক টাঙ্গাইলের এমএম সরকারী কলেজের শিক্ষার্থীরা।গতকাল রবিবার ফাইনাল খেলায় সফরকারী শেরপুর সরকারী কলেজ নো-বল ও বাই রানসহ ১১৩ করলে কমিটি শেরপুর কলেজকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষনা না করে খেলাটি ড্র ঘোষনা করেন। বিকেলে এর প্রতিবাদে ঢাকা বোর্ডে বিষয়টি অবহিত করলে কলেজ মাঠেই এমএম কলেজের খেলোয়াড়রা শেরপুর কলেজের শিক্ষক মঞ্জুরুল হকসহ খেলোয়াড়দের পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে প্রত্যক্ষদর্শীরা আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে আহতদের দুজন কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এই ঘটনার বিচার ও বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত খেলায় নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবীতে মঙ্গলবার শেরপুর সরকারী কলেজে মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
এ ব্যাপারে শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. একেএম রিয়াজুল হাসান জানান, খেলাধূলা একটি নির্মল আনন্দের বিষয়। এখানে সন্ত্রাসের কোন স'ান নেই। টাঙ্গাইলে স্বাগতিক এমএম সরকারি কলেজ দল সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে শেরপুর দলের উপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে সন্ত্রাসকেই প্রশ্রয় দেয়া হবে। আর পিছিয়ে পড়বে সুষ্ঠু সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া চর্চা। এক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডকেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্যদিয়েই এ ধরনের খেলা আয়োজনের দাবি জানান তিনি।
শেরপুরে ৫ দিন ব্যাপী জেলা রোভার মুট অনুষ্ঠিত
শেরপুরে ৫ দিন ব্যাপী ২য় জেলা রোভার মুট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ ডিসেম্বর দুপুরে এ রোভার মুটে অংশগ্রহনকারীদের মাঝে মূল্যায়ন ও সনদপত্র বিতরণ করা হলেও ৪ ডিসেম্বর রোববার রাতে ক্যাম্প ফায়ার এর মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।
শেরপুর জেলা শহরের পৌর শহীদ দারোগালি পার্ক মাঠে অনুষ্ঠিত ক্যাম্প ফায়ার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ডা. এএম পারভেজ রহিম। এ সময় শেরপুর সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর একেএম ড. রিয়াজুল হাসান সম্রাট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন সিকদার, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মো. ছানোয়ার হোসেন ছানু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। ক্যাম্প ফায়ারের পরে অংশগ্রহনকারী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পৃথক ভাবে শারিরিক কসরত, নাটিকা, কৌতুক, নৃত্য ও গান পরিবেশন করা হয়। এবারের রোভার মুটে জেলার ২ টি মাদ্রাসাসহ ১৬টি কলেজের ১৪৪ট জন স্কাউট অংশ নেয়।