এম. সুরুজ্জামান, শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুরে ক্লিনিক ম্যানেজারের আঘাতে গুরুতর আহত শেরপুরের প্রবীণ চিকিৎসক পারভীন ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী ডা. মো. শাহাদত হোসেনের (৯০) প্রাণ গেল।
শুক্রবার ভোর সাড়ে ছয়টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার শমরিতা মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে তিনি মারা যান। পরে ময়না তদন্ত শেষে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টায় শেরপুর
শেরপুর জেলা শহরের পৌর পার্ক মাঠে নিহতের জানাযার নামাজ শেষে পৌর কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারভীন ক্লিনিকের আর্থিক বিষয় নিয়ে ক্লিনিকের অংশীদার ফসিউল ইসলামের সঙ্গে ম্যানেজার বিপ্লবের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এর জের ধরে গত ২৮ নভেম্বর সোমবার ফসিউলের সঙ্গে বিপ্লবের বাগবিতন্ডা হয়। শাহাদাত হোসেন বাগবিতন্ডা থামাতে গেলে বিপ্লব তাঁকে গলায় ধরে জোরে ধাক্কা দিলে তিনি মাটিতে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।
এসময় ডা. শাহাদাতকে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার শমরিতা মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনি ২ ডিসেম্বর শুক্রবার ভোরে সেখানে মারা যান।
শেরপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় নিহত চিকিৎসকের ছেলে ফসিউল ইসলাম বাদী হয়ে বিপ্লবের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে তাঁর লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ বিপ্লবকে গ্রেফতার করেছে।
শুক্রবার ভোর সাড়ে ছয়টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার শমরিতা মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে তিনি মারা যান। পরে ময়না তদন্ত শেষে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টায় শেরপুর
শেরপুর জেলা শহরের পৌর পার্ক মাঠে নিহতের জানাযার নামাজ শেষে পৌর কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারভীন ক্লিনিকের আর্থিক বিষয় নিয়ে ক্লিনিকের অংশীদার ফসিউল ইসলামের সঙ্গে ম্যানেজার বিপ্লবের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এর জের ধরে গত ২৮ নভেম্বর সোমবার ফসিউলের সঙ্গে বিপ্লবের বাগবিতন্ডা হয়। শাহাদাত হোসেন বাগবিতন্ডা থামাতে গেলে বিপ্লব তাঁকে গলায় ধরে জোরে ধাক্কা দিলে তিনি মাটিতে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।
এসময় ডা. শাহাদাতকে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার শমরিতা মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনি ২ ডিসেম্বর শুক্রবার ভোরে সেখানে মারা যান।
শেরপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় নিহত চিকিৎসকের ছেলে ফসিউল ইসলাম বাদী হয়ে বিপ্লবের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে তাঁর লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ বিপ্লবকে গ্রেফতার করেছে।
