মধুপুরে একই শিক্ষার্থী জেএসসি ও এবতেদায়ী পরীক্ষার্থী

S M Ashraful Azom
0
মধুপুরে একই শিক্ষার্থী জেএসসি ও এবতেদায়ী পরীক্ষার্থী
মধুপুর প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মধুপুরে এবার জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা শেষ করে একই ছাত্র পুনরায় প্রাথমিক এবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 
সোমবার উপজেলার চাপড়ী হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মলকা স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসার নামে ৬ জন শিক্ষার্থী এবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে। এ ৬ জনের মধ্যে একজন ৬ষ্ঠ শ্রেণির এবং বাকীরা সবাই অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। 

তারা হলো, চাপড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. কামরুল ইসলাম রোল নং ৩৫, রসুলপুর শামছুল আলম দাখিল মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোবারক হোসেন রোল নং ৩৬, চাপড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০১৮ সালের জেএসসি পরীক্ষার্থী শেখ লুৎফর রহমান যার জেএসসি রোল নং ৩২৬৪৩৯, চাপড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০১৮ সালের জেএসসি পরীক্ষার্থী আব্দুল্লাহ যার জেএসসি রোল নং ৩২৬৪৫৯, রসুলপুর শামছুল আলম দাখিল মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী শেখ ছামিরা রোল নং ৩৯ এবং রসুলপুর শামছুল আলম দাখিল মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাত রোল নং ৪০।

 সোমবার পিএসসি ও এবতেদায়ী পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এসব ভূয়া পরীক্ষার্থীর নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে।

চলতি এবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারি দুইজন পরীক্ষার্থী সদ্য সমাপ্ত জেএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করার বিষয়টি নিশ্চিত করে চাপড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম সবুজ জানান, চলতি এবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারি লুৎফর ও আব্দুল্লাহ চলতি বছরের জেএসসি পরীক্ষায় তার বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করেছে।

সমাপনী পরীক্ষার্থীরা যে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সে বিষয়টি স্বীকার করে মলকা স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. হাফসা বেগম জানান, তাদের মাদরাসার সার্টিফিকেট প্রয়োজন তাই ওরা পরীক্ষা দিচ্ছে।

সমাপনী পরীক্ষার চাপড়ী হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন জানান, যেহেতু তাদের প্রবেশপত্র সঠিক সেহেতু আমার কিছু করার নেই। জেএসসির শিক্ষার্থী কিভাবে পিএসসির রেজিষ্ট্রেশন করল সেটি শিক্ষা অফিসের ব্যাপর। এটা আমি বলতে পারব না।

মধুপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এএইচএম রেজাউল করিম জানান, বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
⇘সংবাদদাতা: মধুপুর প্রতিনিধি

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top