
মো. শাহ্ জামাল, জামালপুর ॥ আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৩ ( মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনের আ’লীগ মনোনীত আবারো একমাত্র প্রার্থী হচ্ছেন-পাট বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ মির্জা আজম এমপি। গত নির্বাচনে কোন প্রতিদ্বন্ধি নাথাকায় মির্জা আজম বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
টানা ৫বার এমপি নির্বাচিত হবার পর তিনি আ’লীগকে সাংগঠকিভাবে শক্তিশালী করেছেন। উন্নয়নের প্রশ্নে তিনি মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ ছাড়াও গোটা জেলার উন্নয়নের রূপকার হিসেবে আলোচনায় আসছেন। গ্রামের কাঁচা রাস্তা ঘাটকে পাকা করেছেন। বিপুল সংখ্যক ব্রিজ নির্মাণ করেছেন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছেন। জামালপুর থেকে মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ-ইসলামপুর-দেওয়ানগঞ্জসহ বিভিন্ন সড়ক যোগাযোগ সম্পন্ন করেছেন। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়-মাদ্রাসা-মসজিদ-মন্দিরসহ বহু স্থাপনা নির্মাণ করে অমরত্ব লাভ করেছেন। মির্জা আজম নাথাকলেও তাঁর কর্মই তাঁকি জিইয়ে রাখবে বলে আলোচনায় আসছে।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কর্মের মধ্যে শুধু মেলান্দহ-মাদারগঞ্জেই নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশে একমাত্র শেখ হাসিনার নামে ভাবকী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ফিশারজী কলেজকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করণ, বঙ্গবন্ধু কলেজ, শেখ কামাল কলেজ, আলেয়া আজম কলেজ, মির্জা আজম মাদ্রাসা, মাহমুদপুর কারিগরি কলেজ, ফায়ার সার্ভিস, পিবিআই স্টেশন, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নকশীপল্লী, ফ্যাশন ডিজাইন ও পল্লীউন্নয়ন একাডেমী, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, অডিটোরিয়াম, শিল্পকলা একাডেমী, পৌরভবন, টেক্সটাইল কলেজ অসংখ্য উন্নয়নের কাজকে স্মৃতি করে রেখেছেন। এ ছাড়াও প্রতিটি ইউনিয়ন সদরে তিনি নিজ খরচে স্থায়ী দলীয় কার্যালয় স্থাপন করেছেন। এই উন্নয়নধারাকে অব্যাহত রাখতে তাঁকে জনগণ আবারো নির্বাচিত করবেন বলে সর্বত্রই আলোচনা চলছে।
⇘সংবাদদাতা: মো. শাহ্ জামাল
টানা ৫বার এমপি নির্বাচিত হবার পর তিনি আ’লীগকে সাংগঠকিভাবে শক্তিশালী করেছেন। উন্নয়নের প্রশ্নে তিনি মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ ছাড়াও গোটা জেলার উন্নয়নের রূপকার হিসেবে আলোচনায় আসছেন। গ্রামের কাঁচা রাস্তা ঘাটকে পাকা করেছেন। বিপুল সংখ্যক ব্রিজ নির্মাণ করেছেন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছেন। জামালপুর থেকে মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ-ইসলামপুর-দেওয়ানগঞ্জসহ বিভিন্ন সড়ক যোগাযোগ সম্পন্ন করেছেন। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়-মাদ্রাসা-মসজিদ-মন্দিরসহ বহু স্থাপনা নির্মাণ করে অমরত্ব লাভ করেছেন। মির্জা আজম নাথাকলেও তাঁর কর্মই তাঁকি জিইয়ে রাখবে বলে আলোচনায় আসছে।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কর্মের মধ্যে শুধু মেলান্দহ-মাদারগঞ্জেই নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশে একমাত্র শেখ হাসিনার নামে ভাবকী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ফিশারজী কলেজকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করণ, বঙ্গবন্ধু কলেজ, শেখ কামাল কলেজ, আলেয়া আজম কলেজ, মির্জা আজম মাদ্রাসা, মাহমুদপুর কারিগরি কলেজ, ফায়ার সার্ভিস, পিবিআই স্টেশন, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নকশীপল্লী, ফ্যাশন ডিজাইন ও পল্লীউন্নয়ন একাডেমী, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, অডিটোরিয়াম, শিল্পকলা একাডেমী, পৌরভবন, টেক্সটাইল কলেজ অসংখ্য উন্নয়নের কাজকে স্মৃতি করে রেখেছেন। এ ছাড়াও প্রতিটি ইউনিয়ন সদরে তিনি নিজ খরচে স্থায়ী দলীয় কার্যালয় স্থাপন করেছেন। এই উন্নয়নধারাকে অব্যাহত রাখতে তাঁকে জনগণ আবারো নির্বাচিত করবেন বলে সর্বত্রই আলোচনা চলছে।
⇘সংবাদদাতা: মো. শাহ্ জামাল

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।