
সেবা ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার অবিস্মরণীয় বিজয় অর্জন হয়েছে। এ বিজয় গণতন্ত্রের বিজয়, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিজয়, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বিজয়। ৩০ ডিসেম্বরের ভোটের মাধ্যমে এ দেশের মানুষ স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে সমুচিত জবাব দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন অনেক নেতারাই।
দেশের জনগণ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আহবানে নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করে প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ মানেই উন্নয়ন, আওয়ামী লীগ মানেই গণতন্ত্র। কেবল শেখ হাসিনাই উন্নয়নের ও গণতন্ত্রের নেত্রী। উন্নয়ন এবং জনগণের ভালোবাসা ছাড়া ভোট পাওয়া যায়না এটাই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রমাণ করেছে দেশের জনগণ।
একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের বিজয়। এই উপমহাদেশে প্রয়াত পন্ডিত জওহরলাল নেহেরুর পর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাই চার বার প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন হচ্ছেন। এই নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে বিএনপি জামায়াতের সাংগঠনিক ভিত্তি ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। তারা আর কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারবে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করেন অনেকেই। আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। নির্বাচনে বিজয়কে আওয়ামী লীগ নেতারা চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে দলীয় নেতাকর্মীদের আরো ধৈর্য্য ধারণ করে বিনয়ের সাথে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে শরিক হবার আহবান জানানো হয়।
তবে এই জয়কে গণতন্ত্রের জন্য বিজয় বলেও মনে করেন অনেকে। বিগত তত্তাবধায়ক সরকারের সময়ে দেশের যে পরিমান ক্ষতি হয়েছিল তার থেকে উত্তরণে কাজ করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। কেউ যাতে করে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসতে না পারে তার জন্য সংবিধান সংশোধন করা হয়। সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন সরকার ক্ষমতায় থাকলেও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। আওয়ামী লীগের এই বিজয়কে গণতন্ত্রের জন্যও বিজয় মনে করেন অনেকে। বর্তমার সরকার উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রেখে গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত রাখবে।
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক
দেশের জনগণ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আহবানে নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করে প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ মানেই উন্নয়ন, আওয়ামী লীগ মানেই গণতন্ত্র। কেবল শেখ হাসিনাই উন্নয়নের ও গণতন্ত্রের নেত্রী। উন্নয়ন এবং জনগণের ভালোবাসা ছাড়া ভোট পাওয়া যায়না এটাই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রমাণ করেছে দেশের জনগণ।
একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের বিজয়। এই উপমহাদেশে প্রয়াত পন্ডিত জওহরলাল নেহেরুর পর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাই চার বার প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন হচ্ছেন। এই নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে বিএনপি জামায়াতের সাংগঠনিক ভিত্তি ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। তারা আর কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারবে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করেন অনেকেই। আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। নির্বাচনে বিজয়কে আওয়ামী লীগ নেতারা চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে দলীয় নেতাকর্মীদের আরো ধৈর্য্য ধারণ করে বিনয়ের সাথে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে শরিক হবার আহবান জানানো হয়।
তবে এই জয়কে গণতন্ত্রের জন্য বিজয় বলেও মনে করেন অনেকে। বিগত তত্তাবধায়ক সরকারের সময়ে দেশের যে পরিমান ক্ষতি হয়েছিল তার থেকে উত্তরণে কাজ করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। কেউ যাতে করে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসতে না পারে তার জন্য সংবিধান সংশোধন করা হয়। সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন সরকার ক্ষমতায় থাকলেও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। আওয়ামী লীগের এই বিজয়কে গণতন্ত্রের জন্যও বিজয় মনে করেন অনেকে। বর্তমার সরকার উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রেখে গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত রাখবে।
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।