
মোট ভোটদাতাদের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পাওয়ায় বাকি ২৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে। জানামত বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হলেন-
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে মো. আব্দুল মজিদ পেয়েছেন ৫ হাজার ২২৪ ভোট, ন্যাপের কুঁড়ে ঘর প্রতীকে মো. সুরুজ্জামান ৯৯১ ভোট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির কাঁঠাল প্রতীকে মো. জাহাঙ্গীর আলম ৯২২ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে এম এ ছাত্তার ৭৫৮ ভোট এবং গণফোরামের উদীয়মান সূর্য প্রতীকে মো. সিরাজুল হক ৪৬০ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭২১ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে হাফেজ মো. মিনহাজ উদ্দিন ৮২২ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মোস্তফা আল মাহমুদ ২১৯ ভোট এবং, সিপিবির কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী মনজুরুল আহসান খান পেয়েছেন ৬১৩ ভোট।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৭৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে বুরহান উদ্দিন ১ হাজার ৩৪২ ভোট, জাকের পার্টির গোলাপফুল প্রতীকে মো. আব্দুল হাকিম শান্তি ৪৬০ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মো. মনজুর আহাদ হেলাল ৪৩২ ভোট এবং সিপিবির কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী শিবলুল বারী রাজু পেয়েছেন ২৯৯ ভোট।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মো. মোখলেছুর রহমান বস্তু পেয়েছেন ১ হাজার ৫৯৩ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে মো. আলী আকবর ১ হাজার ৫৫০ ভোট এবং বিএনএফ-এর টেলিভিশন প্রতীকের প্রার্থী মোস্তফা বাবুল পেয়েছেন ৬৫৬ ভোট।
জামালপুর-৫ (সদর) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৭৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে সৈয়দ ইউনুছ আহাম্মেদ ২ হাজার ৫০৬ ভোট, সিপিবির কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী শেখ মো. আক্কাছ আলী ৪৮৪ ভোট, জাকের পার্টির গোলাপফুল প্রতীকে মো. নজরুল ইসলাম আকন্দ ২৮৮ ভোট, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ প্রতীকে মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন ১৪২ ভোট, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের হারিকেন প্রতীকে আল আমিন জুরহমান ১১২ ভোট এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মো. বাবর আলী পেয়েছেন ১০৩ ভোট।
এ প্রসঙ্গে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোখলেছুর রহমান কর্তৃক জানা যায়, গেজেট প্রকাশের পর প্রত্যেক প্রার্থীর ২০ হাজার টাকার জামানত বাজেয়াপ্ত বিষয়টি কার্যকর হবে।’
⇘সংবাদদাতা: বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭২১ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে হাফেজ মো. মিনহাজ উদ্দিন ৮২২ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মোস্তফা আল মাহমুদ ২১৯ ভোট এবং, সিপিবির কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী মনজুরুল আহসান খান পেয়েছেন ৬১৩ ভোট।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৭৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে বুরহান উদ্দিন ১ হাজার ৩৪২ ভোট, জাকের পার্টির গোলাপফুল প্রতীকে মো. আব্দুল হাকিম শান্তি ৪৬০ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মো. মনজুর আহাদ হেলাল ৪৩২ ভোট এবং সিপিবির কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী শিবলুল বারী রাজু পেয়েছেন ২৯৯ ভোট।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মো. মোখলেছুর রহমান বস্তু পেয়েছেন ১ হাজার ৫৯৩ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে মো. আলী আকবর ১ হাজার ৫৫০ ভোট এবং বিএনএফ-এর টেলিভিশন প্রতীকের প্রার্থী মোস্তফা বাবুল পেয়েছেন ৬৫৬ ভোট।
জামালপুর-৫ (সদর) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৭৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে সৈয়দ ইউনুছ আহাম্মেদ ২ হাজার ৫০৬ ভোট, সিপিবির কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী শেখ মো. আক্কাছ আলী ৪৮৪ ভোট, জাকের পার্টির গোলাপফুল প্রতীকে মো. নজরুল ইসলাম আকন্দ ২৮৮ ভোট, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ প্রতীকে মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন ১৪২ ভোট, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের হারিকেন প্রতীকে আল আমিন জুরহমান ১১২ ভোট এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) বাইসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মো. বাবর আলী পেয়েছেন ১০৩ ভোট।
এ প্রসঙ্গে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোখলেছুর রহমান কর্তৃক জানা যায়, গেজেট প্রকাশের পর প্রত্যেক প্রার্থীর ২০ হাজার টাকার জামানত বাজেয়াপ্ত বিষয়টি কার্যকর হবে।’
⇘সংবাদদাতা: বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।