
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে উন্নয়নের প্রতিদানে আওয়ামীলীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ¦ মো. ছানোয়ার হোসেনকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী করাসহ টানা দ্বিতীয়বারের মত এমপি নির্বাচিত করলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলাবাসী। গত ৫ বছরের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে নৌকা প্রতীকে আসনটির অধিকাংশ ভোটাররা তাদের ভোটের সর্বোচ্চ রায় দিয়ে দ্বিতীয় দফায় তাকে এমপি নির্বাচিত করেছেন বলেই মন্তব্য আসনটির রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।
জানা যায়, ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন। এ নির্বাচনী আসনের কেন্দ্র সংখ্যা ১২৭টি। মোট ভোটার ৩ লাখ ৮০ হাজার ৩৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৭৩ জন আর মহিলা ভোটার ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৬৫ জন।
এছাড়াও আসনটিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন চারজন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন আসনটির ৬ বারের সংসদ সদস্য ও বিএনপির প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী মেজর জেনারেল (অবঃ) মাহমুদুল হাসান। অপরদিকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ছিলেন পীরজাদা সফিউল্লাহ আল মুনির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাথাল প্রতীকের মুরাদ সিদ্দিকী। অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রার্থীরা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী খন্দকার ছানোয়ার হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের প্রার্থী আবু তাহের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের বটগাছ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা, বিএনএফ এর টেলিভিশন প্রতীকের প্রার্থী শামীম আল মামুন ও সিংহ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কাশেম।
তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এর নির্ধারিত দিন ৩০ ডিসেম্বর রোববার সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ শেষ হয়। আসনটির ১২৭ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট গণণা শেষে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বেসরকারী ফলাফলে নির্বাচিত হন নৌকার প্রার্থী আলহাজ¦ ছানোয়ার হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অবঃ) মাহমুদুল হাসান পান ৭৮ হাজার ৯’শ ৯২ ভোট, মাথাল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী পান ২৮ হাজার ৬’শ ৭০ ভোট আর মহাজোটের লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সফিউল্লাহ আল মুনির পান ১৮ হাজার ৩’শ ৪১ ভোট। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী খন্দকার ছানোয়ার হোসেন পান ৩ হাজার ৮’শ ৫ ভোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের বটগাছ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা ৪’শ ১৫ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের প্রার্থী আবু তাহের পান ৯৭ ভোট, বিএনএফ এর টেলিভিশন প্রতীকের প্রার্থী শামীম আল মামুন ৯১ ভোট আর সিংহ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কাশেম কোন ভোট পাননি।
যদিও ২০০৮ সাল থেকে পরপর দুইবারে ১০ বছর আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের ব্যাপক উন্নয়ন হয়। এছাড়াও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়ে ২৯ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন আলহাজ্ব মোঃ ছানোয়ার হোসেন। এ নির্বাচনে আসনটির বিজয়ী সংসদ সদস্য হয়ে আলহাজ¦ ছানোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে টাঙ্গাইলবাসির জীবনযাত্রার মানের অবিস্মরণীয় উন্নয়ন সাধিত হয়। এর মধ্যে নজির বিহীন উন্নয়ন হয় যোগাযোগ ও শিক্ষা ক্ষেত্রে।
আলহাজ¦ ছানোয়ার হোসেন আওয়ামীলীগের এমপি হওয়া স্বত্তেও আসনটির ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নে ধারাবাহিকভাবে সুষম উন্নয়ন অব্যাহত ছিল। এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এ এলাকার মানুষের যুগোপযোগি জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ঘটে। একইভাবে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে উন্নয়ন হওয়ায় গ্রামাঞ্চালের সাধারণ মানুষের প্রিয় মানুষ হয়ে ওঠেন এমপি ছানোয়ার। যার ফলশ্রুতিতেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রতি ভোট বিপ্লব ঘটিয়ে ওই সাধারণ মানুষের পাশে থাকাসহ উন্নয়নের প্রতিদানে আলহাজ¦ মো. ছানোয়ার হোসেনকে টানা দ্বিতীয়বারের মত এমপি নির্বাচিত করলেন বলে নিশ্চিত করেছেন তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ।।
হুগড়া ইউনিয়নের ধুলবাড়ির গ্রামের বয়োজেষ্ঠ আব্দুল রাজ্জাক ও মুদি দোকান ব্যবসায়ী মালেক বলেন, আলহাজ¦ ছানোয়ার হোসেনের কথায় আমাদের এলাকায় রাস্তাঘাটের পর্যাপ্ত উন্নয়নসহ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন হয়েছে বলেই আমরা এবার নৌকার প্রার্থী ও আমাদের প্রিয় মানুষ ছানোয়ারকে ভোট দিয়েছি।
কাতুলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কদ্দুস, হুগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাপ সরকার , করটিয়া ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারন সম্পাদক আলমগীর সিকদার জানান, বর্তমান সরকারের গত ১০ বছরের উন্নয়ন আর দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার কথা ভেবেই আমরা তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দলীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকায় ভোট দিয়েছে। এছাড়াও আমাদের সুখে দুঃখে পাশে থাকায় নৌকার প্রার্থী ছানোয়াার হোসেনকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করে দ্বিতীয়বারের মত এমপি নির্বাচিত করেছেন বলেও জানান তারা। গত ১০ বছরে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের প্রতিদানে টাঙ্গাইল সদর আসনের জনগন নৌকায় এ ভোটদানের বিপ্লব ঘটিয়েছেন বলেও দাবি তাদের।
টাঙ্গাইল শহর আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক নাজমুল হুদা নবীন বলেন, জনবান্ধব এমপি ছিলেন আলহাজ¦ ছানোয়ার হোসেন। এলাকায় তিনি যে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছেন তার প্রতিদান দিয়েছেন আসনটির জনগন।
টাঙ্গাইল শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এম এ রৌফ বলেন মো. ছানোয়ার হোসেন তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে টাঙ্গাইর সদর আসনের প্রতিটি এলাকায় সুষম উন্নয়ন ঘটানোর সুফল হিসেবে ভোটের মাধ্যমে আসনটির জনগণ তাকে এবার নির্বাচিত করেছেন।
এ প্রসঙ্গে টানা দ্বিতীয়বার নির্বাচিত নৌকার এমপি আলহাজ¦ মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, গত ৫ বছরে টাঙ্গাইল সদর আসনে যে উন্নয়ন করেছি জনগন তার মূল্যায়ন করে আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় আমি কৃতজ্ঞ। যদিও গত ৫ বছরে আসনটি ৭০ ভাগ উন্নয়ন কাজ করতে পেরেছি। যেহেতু এবারের নির্বাচনেও আমাকে জনগন ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন তবে অবশ্যয় আমি অসম্পন্ন বাকি ৩০ ভাগ কাজ সকলের সহযোগীতা নিয়েই সম্পন্ন করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
⇘সংবাদদাতা: টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
জানা যায়, ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন। এ নির্বাচনী আসনের কেন্দ্র সংখ্যা ১২৭টি। মোট ভোটার ৩ লাখ ৮০ হাজার ৩৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৭৩ জন আর মহিলা ভোটার ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৬৫ জন।
এছাড়াও আসনটিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন চারজন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন আসনটির ৬ বারের সংসদ সদস্য ও বিএনপির প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী মেজর জেনারেল (অবঃ) মাহমুদুল হাসান। অপরদিকে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ছিলেন পীরজাদা সফিউল্লাহ আল মুনির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাথাল প্রতীকের মুরাদ সিদ্দিকী। অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রার্থীরা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী খন্দকার ছানোয়ার হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের প্রার্থী আবু তাহের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের বটগাছ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা, বিএনএফ এর টেলিভিশন প্রতীকের প্রার্থী শামীম আল মামুন ও সিংহ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কাশেম।
তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এর নির্ধারিত দিন ৩০ ডিসেম্বর রোববার সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ শেষ হয়। আসনটির ১২৭ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট গণণা শেষে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বেসরকারী ফলাফলে নির্বাচিত হন নৌকার প্রার্থী আলহাজ¦ ছানোয়ার হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অবঃ) মাহমুদুল হাসান পান ৭৮ হাজার ৯’শ ৯২ ভোট, মাথাল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী পান ২৮ হাজার ৬’শ ৭০ ভোট আর মহাজোটের লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সফিউল্লাহ আল মুনির পান ১৮ হাজার ৩’শ ৪১ ভোট। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী খন্দকার ছানোয়ার হোসেন পান ৩ হাজার ৮’শ ৫ ভোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের বটগাছ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা ৪’শ ১৫ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের প্রার্থী আবু তাহের পান ৯৭ ভোট, বিএনএফ এর টেলিভিশন প্রতীকের প্রার্থী শামীম আল মামুন ৯১ ভোট আর সিংহ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কাশেম কোন ভোট পাননি।
যদিও ২০০৮ সাল থেকে পরপর দুইবারে ১০ বছর আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের ব্যাপক উন্নয়ন হয়। এছাড়াও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়ে ২৯ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন আলহাজ্ব মোঃ ছানোয়ার হোসেন। এ নির্বাচনে আসনটির বিজয়ী সংসদ সদস্য হয়ে আলহাজ¦ ছানোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে টাঙ্গাইলবাসির জীবনযাত্রার মানের অবিস্মরণীয় উন্নয়ন সাধিত হয়। এর মধ্যে নজির বিহীন উন্নয়ন হয় যোগাযোগ ও শিক্ষা ক্ষেত্রে।
আলহাজ¦ ছানোয়ার হোসেন আওয়ামীলীগের এমপি হওয়া স্বত্তেও আসনটির ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নে ধারাবাহিকভাবে সুষম উন্নয়ন অব্যাহত ছিল। এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এ এলাকার মানুষের যুগোপযোগি জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ঘটে। একইভাবে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে উন্নয়ন হওয়ায় গ্রামাঞ্চালের সাধারণ মানুষের প্রিয় মানুষ হয়ে ওঠেন এমপি ছানোয়ার। যার ফলশ্রুতিতেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রতি ভোট বিপ্লব ঘটিয়ে ওই সাধারণ মানুষের পাশে থাকাসহ উন্নয়নের প্রতিদানে আলহাজ¦ মো. ছানোয়ার হোসেনকে টানা দ্বিতীয়বারের মত এমপি নির্বাচিত করলেন বলে নিশ্চিত করেছেন তৃণমূলের নেতৃবৃন্দ।।
হুগড়া ইউনিয়নের ধুলবাড়ির গ্রামের বয়োজেষ্ঠ আব্দুল রাজ্জাক ও মুদি দোকান ব্যবসায়ী মালেক বলেন, আলহাজ¦ ছানোয়ার হোসেনের কথায় আমাদের এলাকায় রাস্তাঘাটের পর্যাপ্ত উন্নয়নসহ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন হয়েছে বলেই আমরা এবার নৌকার প্রার্থী ও আমাদের প্রিয় মানুষ ছানোয়ারকে ভোট দিয়েছি।
কাতুলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কদ্দুস, হুগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাপ সরকার , করটিয়া ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারন সম্পাদক আলমগীর সিকদার জানান, বর্তমান সরকারের গত ১০ বছরের উন্নয়ন আর দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার কথা ভেবেই আমরা তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দলীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকায় ভোট দিয়েছে। এছাড়াও আমাদের সুখে দুঃখে পাশে থাকায় নৌকার প্রার্থী ছানোয়াার হোসেনকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করে দ্বিতীয়বারের মত এমপি নির্বাচিত করেছেন বলেও জানান তারা। গত ১০ বছরে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের প্রতিদানে টাঙ্গাইল সদর আসনের জনগন নৌকায় এ ভোটদানের বিপ্লব ঘটিয়েছেন বলেও দাবি তাদের।
টাঙ্গাইল শহর আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক নাজমুল হুদা নবীন বলেন, জনবান্ধব এমপি ছিলেন আলহাজ¦ ছানোয়ার হোসেন। এলাকায় তিনি যে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছেন তার প্রতিদান দিয়েছেন আসনটির জনগন।
টাঙ্গাইল শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এম এ রৌফ বলেন মো. ছানোয়ার হোসেন তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে টাঙ্গাইর সদর আসনের প্রতিটি এলাকায় সুষম উন্নয়ন ঘটানোর সুফল হিসেবে ভোটের মাধ্যমে আসনটির জনগণ তাকে এবার নির্বাচিত করেছেন।
এ প্রসঙ্গে টানা দ্বিতীয়বার নির্বাচিত নৌকার এমপি আলহাজ¦ মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, গত ৫ বছরে টাঙ্গাইল সদর আসনে যে উন্নয়ন করেছি জনগন তার মূল্যায়ন করে আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় আমি কৃতজ্ঞ। যদিও গত ৫ বছরে আসনটি ৭০ ভাগ উন্নয়ন কাজ করতে পেরেছি। যেহেতু এবারের নির্বাচনেও আমাকে জনগন ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন তবে অবশ্যয় আমি অসম্পন্ন বাকি ৩০ ভাগ কাজ সকলের সহযোগীতা নিয়েই সম্পন্ন করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
⇘সংবাদদাতা: টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।