
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া : বগুড়ায় সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল) ৩১ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান আকন্দ এবং ওই ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক (বর্তমানে বরখাস্ত) রফিকুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে তারা বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করলে বিচারক এমরান হোসেন চৌধুরীর নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আদালত পরির্দশক (কোর্ট ইন্সপেক্টর) নিশিত কুমার ঘোষ জানান, ২০০৮ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে পরবর্তী তিন বছরে এসআইবিএলের বগুড়া শাখা থেকে তৎকালীন ব্যবস্থাপক, দুই কর্মকর্তা এবং ৬ ব্যবসায়ীসহ ৯জন মিলে বিভিন্ন গ্রাহকের নামে ভুয়া ঋণ হিসাব খুলে ৩১ কোটি ১৯ লাখ ৪৯ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। ওই ঘটনায় এসআইবিএলের বগুড়া শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০১১ সালে মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তী সময়ে দুদক মামলাটি তদন্ত করে এবং ২০১৭ সালে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। চার্জশিটভুক্ত আসামীরা হলেন- এসআইবিএলের সাবেক ব্যবস্থাপক (বর্তমানে বরখাস্ত) রফিকুল ইসলাম, সাবেক ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (বর্তমানে বরখাস্ত) আতিকুল কবির, সাবেক এক্সিকিউটিভ অফিসার (বর্তমানে বরখাস্ত) মাহবুবুর রহমান, ব্যবসায়ী আকতার হোসেন মামুন, জহুরুল হক মোমিন, এনামুল হক বাবু, মাকসুদুল আলম খোকন, ফেরদৌস আলম এবং বগুড়া শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শুকরা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আব্দুল মান্নান আকন্দ।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আজাদ জানান, চার্জশিট দাখিলের পর চলতি বছরের ৪ মার্চ আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আসামীদের মধ্যে ৩জন জামিনে রয়েছেন। বাদবাকী পলাতক ৬জনের মধ্যে এসআইবিএলের সাবেক ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম ও আব্দুল মান্নান আকন্দ মঙ্গলবার সকালে স্পেশাল জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তিনি বলেন, ‘তারা জামিন প্রার্থনা করেছিলেন কিন্তু বিচারক নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’
⇘সংবাদদাতা: সেবা ডেস্ক

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।