
রফিকুল আলম,ধুনট (বগুড়া): বগুড়ার ধুনট উপজেলায় নিয়ম বর্হিভুত ভাবে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সেচ যন্ত্রের অবৈধভাবে সংযোগ প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার শ্যামগাঁতি গ্রামের আদর্শ কৃষক মোসলেম উদ্দিন সরকার ধুনট প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মোসলেম উদ্দিন সরকার বলেন, আমি ২০১৮ সালের ১৬ আগষ্ট উপজেলা সেচ কমিটি থেকে সেচ যন্ত্রের লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়ে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ নিয়ে জমিতে পানি সেচ দিয়ে চাষাবাদ করে আসছি। এ অবস্থায় একই এলাকার আল-আমিন নামে এক কৃষক ১০১৯ সালে লাইসেন্স নিয়ে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের উৎকোচ দিয়ে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছে।
সরকারি বিধি মোতাবেক আমার সেচ যন্ত্রের ৮০০ ফুটের মধ্যে কোন লাইসেন্স কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার বিধান নেই। এছাড়া বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া আগে সেচ যন্ত্রের জন্য বোরিং থাকার বিধান রয়েছে। কিন্ত পল্লী বিদ্যুতের অসাধু কর্মকর্তারা এ সব নিয়মের তোয়াক্কা না করে আমার সেচ পাম্প থেকে মাত্র সাড়ে ৩০০ ফুট দুরে বোরিং ছাড়াই কৃষক আল-আমিনকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। কৃষক আল-আমিন সেচ যন্ত্র চালু করলে ভু-গর্ভে পানি সংকট সৃষ্টি হয়ে আমার জমিতে চাষাবাদ বাধাগ্রস্ত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি এবং পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তার নিকট এক মাস আগে অভিযোগ দিয়ে কোন প্রতিকার মেলেনি। তাই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কৃষক আল-আমিনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সেচ যন্ত্রের লাইসেন্স বাতিলের দাবি করছি।
ধুনট পল্লী বিদ্যুতের সাব-জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মাহবুব জিয়া বলেন, আমি এই কর্মস্থলে যোগদানের আগে নিয়ম বর্হিভুত ভাবে সংযোগ পেয়েছে। এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তার (জিএম) নিকট মতামত চেয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে। উর্দ্ধতন কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি রাজিয়া সুলতানা বলেন, কৃষক মোসলেম উদ্দিনের অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।