
সেবা ডেস্ক: আসন্ন ২০২০-২১ অর্থবছরের ঘোষিত বাজেটে বাড়ানো হয়েছে দেশের তৈরি পোশাক খাতের বিদ্যমান নানা সুবিধার মেয়াদকাল। পাশাপাশি রয়েছে নতুন কিছু কর অব্যাহতি ও রেয়াতি সুবিধা। বিজিএমইএর মতে, এর ফলে ঘুরে দাঁড়াবে দেশের তৈরি পোশাক খাত। তবে উদ্যোক্তারা বলছেন, নতুন বাজেটে চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের জন্য কিছু করার সুযোগ ছিল সরকারের।
মার্চ থেকেই সীমিত পরিসরে চলছে উৎপাদন। বাতিল হয়েছে ৩শ কোটি ডলারের বেশি ক্রয়াদেশ। গেল ২ মাসেই বন্ধ...৩৪৮টি কারখানা। এপ্রিলে ৮৪ ভাগ কমার পর মে তেও রপ্তানি কমেছে ৫০ শতাংশের বেশি।
করোনায় যেন দিশাহীন দেশের গার্মেন্টস শিল্প। তবে ঘোষিত বাজেটকে ঘিরে ঘুড়ে দাড়ানোর প্রত্যাশায় দেশের তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
যদিও নতুন বাজেটে পোশাক খাতের জন্য যা কিছু তার বেশিরভাগই পুরনো সুবিধারই পুনর্বহাল। থাকছে রপ্তানিতে ১ শতাংশ প্রণোদনা ও শুধুই এ খাতের জন্য বিদ্যমান ১০ ও ১২ শতাংশ হারের হ্রাসকৃত কর্পোরেট কর। সাথে নতুন করে দেয়া হয়েছে কৃত্রিম তন্তু উতপাদনে কর অব্যাহতি। কমানো হয়েছে বিভিন্ন সিনথেটিক ও কটন সুতার ওপর ভ্যাট। বাড়ানো হয়েছে কিছু যন্ত্রপাতি আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা।
এ সবকিছুই করা হয়েছে রপ্তানি বাড়াতে শুধু নেই করোনার এ সময়ে চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের জন্য কোন ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা।
প্রস্তাবিত বাজেটে সকল রপ্তানি খাতের জন্য দশমিক ৫ শতাংশ হারে উৎসে কর নির্ধারিত হয়েছে। যা তৈরি পোশাকের জন্য আগের দশমিক ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি এ খাতের উদ্যোক্তাদের।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।