
সেবা ডেস্ক: টাঙ্গাইলে র্যাবের পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজী মামলার দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ রবিবার রাতে টাঙ্গাইল র্যাব-১২ সিপিসি ৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর আবু নাঈম মোহাম্মদ তালাত এক প্রেস বিফিং এর মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের চরহুগড়া গ্রামে র্যাবের পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে কথিত চার সাংবাদিক ও এক স্কুল ছাত্রীকে উত্যক্তকারী যুবকের নামে থানায় মামলা করা হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি আভিযানিক দল টাঙ্গাইল শহর থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়া কথিত দুই সাংবাদিক হলো- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাজিপুর এলাকার মৃত হজরত আলী সরকারের ছেলে মো: আলমগীর হোসেন ও পশ্চিম আদালত পাড়ার মো: আব্দুল মোতালেবের ছেরে মো. তারেক রহমান। এছাড়া অপর আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়েকে স্কুলের যাওয়া আসার পথে একই গ্রামের রেকাত মন্ডলের ছেলে ফারুক হোসেন (২২) উত্যক্ত করে এবং প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এ বিষয়ে তার মেয়ে তাদের জানালে তারা ফারুকের বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়। তারপরও গত (৩০ মে) দুপুরে এক প্রতিবেশির মাধ্যমে ফারুক তাদের (ওই স্কুল ছাত্রী) বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়। তারা এ প্রস্তাব নাকচ করে দেন। পরদিন গত (১ জুন) আতোয়ার, জহিরুল, আলমগীর ও সবুর ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে নিজেদের র্যাব ও সাংবাদিক পরিচয় দেন। তারা ফারুকের সাথে ওই স্কুল ছাত্রীকে বিয়ে দেয়ার জন্য চাপ দেয়। বিয়ে না দিলে ওই ছাত্রীর ক্ষতি করবে বলে তার ছবি তোলে ও ভিডিও করে। এক পর্যায়ে তারা ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। এ সময় ওই ছাত্রীর বাবা-মা তাদের ১০ হাজার টাকা চাঁদা দেন। তারা বাকি ৪০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেয়ার কথা বলে চলে আসে। পরে ওই মেয়ের বাবা-মা টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার এবং টাঙ্গাইলে দায়িত্বরত র্যাবের কোম্পানী কমান্ডারের কাছে বিচার চেয়ে আবেদন করেন। শুক্রবার (৫ জুন) রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে উত্যক্তকারি ফারুক এবং চাঁদা নেয়ায় কথিত অপর চার সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।