কাজিপুর প্রতিনিধি: নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে ষড়যন্ত্র দাবী করেছেন সেই ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম। তিনি সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য। শনিবার কয়েকটি অনলাইন ও রবিবার কয়েকটি পত্রিকায় ‘‘টাকা ছাড়া ভাতার কার্ড দেন না ইউপি সদস্য’’ - শিরোণামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
রবিবার (২৭ জুন) দুপুরে তিনি নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদেরকে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান। এসময় তিনি জানান, আব্দুল মান্নানের প্রতিবন্ধী পুত্রের সাত হাজার টাকা লোপাটের তথ্যটি সঠিক নয়। কারণ কোন প্রতিবন্ধীরই সাত হাজার টাকা একাউন্টে আসে না।
এরপর তিনি আবু বক্কারের প্রতিবন্ধী পুত্রের টাকা লোপাটের বিষয়ে জানান, তিনি সময়মতো মোবাইল ফোন নম্বর উপজেলা সমাজসেবা অফিসে দিতে পারেননি বলে তার বিপরীতে ‘নগদ’ একাউন্ট বাতিল হয়ে যায়। আর এই সুযোগে মহল বিশেষ তাকে আমার নামে ভুল বুঝিয়েছে। এ কারণে তিনি আমাকে দোষ দিচ্ছেন যা আদৌ সত্যি নয়।
মোকবুলের স্ত্রী জোবেদা খাতুনের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ওই মহিলা না বয়স্ক ভাতার উপযোগী, না তিনি বিধবা। তার সাথে আমার কোন লেনেদেন হয়নি। আলেয়ার অভিযোগও সত্যি নয়।
এসময় তিনি জানান, এর আগেও আমার বিরুদ্ধে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্যারের নিকট একজন অভিযোগ করেছিলো। এরপর ইউএনও শুনানীর জন্যে ডাকলে আমি হাজির হলেও অভিযোগকারী হাজির হয়নি।
শফিকুল ইসলাম জানান, সমাজে আমার আলাদা একটি গ্রহণযোগ্যতা আছে। সাংবাদিককে মিথ্যে তথ্য দিয়ে সেটি ক্ষুণœ করতেই মহল বিশেষ এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। গ্রামের এক প্রতিদ্ব›দ্বী নির্বাচনকে সামনে রেখে তার বিরুদ্ধে এই হীন চক্রান্ত করছেন বলে তিনি দাবী করেন।


খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।