![]() |
| জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা আনতে ‘ফুয়েল কার্ড’: অপচয় ও কালোবাজারি রোধে সরকারের বড় উদ্যোগ।। ছবি: ChatGPT |
জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা আনতে ‘ফুয়েল কার্ড’: অপচয় ও কালোবাজারি রোধে সরকারের বড় উদ্যোগ
দেশের জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং তেলের অপচয় রোধে সব ধরনের যানবাহনের জন্য ডিজিটাল ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা এই বিশেষ কার্ড প্রবর্তনের লক্ষ্যে প্রাথমিক কাজ শুরু করেছেন। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা থেকে এই আধুনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, তা মোকাবিলা করতেই এই আগাম প্রস্তুতি।
প্রস্তাবিত এই ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিটকার্ড মূলত একটি আধুনিক পেমেন্ট কার্ডের মতো কাজ করবে।
প্রতিটি যানবাহনের জন্য নির্দিষ্ট কিউআর (QR) কোড সম্বলিত এই কার্ডের মাধ্যমে মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস কিংবা ট্রাকের মালিকরা তাদের দৈনিক বা মাসিক চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন।
পাম্প থেকে তেল নেওয়ার সময় এই কোড স্ক্যান করতে হবে, যা তেলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবে। এর ফলে একই ব্যক্তি বা যানবাহন বারবার তেল নিয়ে কালোবাজারি করতে পারবে না এবং মজুতদারদের দৌরাত্ম্য কমে আসবে।
তবে দেশজুড়ে এই প্রযুক্তিগত কাঠামো পুরোপুরি কার্যকর করতে কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
ডিজিটাল এই পদ্ধতির ফলে গ্রাহকরা যেমন সহজে তেলের দাম পরিশোধ করতে পারবেন, তেমনি প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকবে। এতে পরিবহন মালিকরা সহজেই তাদের মাসিক জ্বালানি খরচ তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
কার্ডটি নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এর অপব্যবহার বা চুরির ঝুঁকিও থাকবে না। কাগজের রসিদ জমানোর পুরনো ঝামেলা এড়িয়ে গ্রাহকরা এককালীন ডিজিটাল চালানের সুবিধাও পাবেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় জ্বালানি সরবরাহে স্বচ্ছতা ফেরাতে এই ‘ফুয়েল কার্ড’ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে।








খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।