![]() |
| কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আহ্বান |
খেলোয়াড়দের রাজনীতিমুক্ত থাকার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর: চালু হলো ঐতিহাসিক ‘ক্রীড়া কার্ড’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের খেলোয়াড়দের পেশাদার জীবনে কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর সদস্য না হয়ে দেশপ্রেম ও ক্রীড়া নৈপুণ্য দিয়ে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আপনারা কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না। পেশাদার খেলোয়াড়ি জীবনে আপনারা ক্রীড়া নৈপুণ্য দিয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করুন এবং বিশ্ব ক্রীড়া জগতে বাংলাদেশকে উচ্চতর মর্যাদার আসনে সমাসীন রাখুন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্রীড়াকে বাংলাদেশে একটি স্বীকৃত পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার কাজ আজ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
তিনি বলেন, খেলোয়াড়রা যাতে পরিবার নিয়ে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় না ভোগেন, সেজন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে তাঁদের বেতন কাঠামোর আওতায় আনার কাজ শুরু করেছে সরকার।
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ক্রীড়াবিদদের বেতন কাঠামোর আওতায় এনে এই ক্রীড়া ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপের বোতাম চেপে সোনালী ব্যাংকের অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদের প্রত্যেকের মোবাইলে তাৎক্ষণিকভাবে ১ লক্ষ টাকা পৌঁছে দেন।
একইসঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী ক্রীড়াবিদদের সম্মাননা প্রদান করেন এবং তাঁদের হাতে ‘ক্রীড়া কার্ড’ তুলে দেন। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদরাও এই কার্ডের আওতায় আসবেন।
তৃণমূল থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে আগামী ৩০ এপ্রিল সিলেট থেকে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়া শিশুদের খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতে চতুর্থ শ্রেণি থেকে এটি বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে কারিকুলাম পরিমার্জনের কাজ শুরু করেছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, সরকার ধারাবাহিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-খতিব ভাতা এবং খাল খনন কর্মসূচির পর এবার ক্রীড়া কার্ড চালু করল।
আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু হবে বলেও তিনি পুনরায় নিশ্চিত করেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সরকারের শীর্ষ মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী শাপলা হলের বাইরে খেলোয়াড়দের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।