সেবা ডেস্ক: দেশের মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও বিহারের ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানি ও উৎসব বোনাস প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর ফলে রাষ্ট্রীয় ভাতার আওতায় এলেন হাজার হাজার ধর্মীয় সেবক।
![]() |
| ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান |
ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি সম্মানি প্রদান কার্যক্রম শুরু
দেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন। বেলা সোয়া ১১টায় বগুড়ার বায়তুল রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের ইমাম হোসাইন আহমেদ আবদুল্লাহর হাতে সম্মানীর প্রথম চেকটি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ডিজিটাল আইবাস (iBAS++) সিস্টেমের ‘সেন্ট বাটন’ প্রেস করার মাধ্যমে এই সম্মানীর অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
সরকারের এই ঐতিহাসিক উদ্যোগের ফলে দেশের হাজার হাজার মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন এবং মন্দির, বিহার ও গির্জার সেবকরা প্রথমবারের মতো সরাসরি রাষ্ট্রীয় ভাতার আওতায় আসলেন। এই কর্মসূচির আওতায় ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা সম্মানি পাবেন। এছাড়াও ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজক ও পালকসহ উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এই নিয়মিত ভাতা গ্রহণ করবেন।
পাইলট প্রকল্পের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বরাদ্দের মধ্য থেকে ইমাম ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে মাসিক সম্মানি পাবেন। একইভাবে অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় যেমন—মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জার জন্য মাসিক ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান দায়িত্বশীল ব্যক্তি যেমন পুরোহিত, অধ্যক্ষ বা যাজক পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা পাবেন ৩ হাজার টাকা।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এই নিয়মিত সম্মানীর পাশাপাশি উৎসব বোনাস প্রদানের বিশেষ ঘোষণাও দেন। তিনি জানান যে, মসজিদে কর্মরতদের জন্য ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় এক হাজার টাকা করে বছরে দুবার বোনাস দেওয়া হবে। অন্যদিকে দুর্গাপূজা, বৌদ্ধ পূর্ণিমা বা বড়দিনের মতো উৎসবগুলোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের দুই হাজার টাকা করে বোনাস প্রদান করা হবে। তবে যে সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে সরকার বা কোনো বিদেশি সংস্থার কাছ থেকে নিয়মিত অনুদান পেয়ে থাকে, তারা আপাতত এই নতুন সুবিধার আওতায় থাকবে না।
সূত্র: /সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশ্যে আপোষহীন
জাতীয়- নিয়ে আরও পড়ুন

১৬ মার্চ দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে ডিসেম্বরেই জাতীয় গ্রিডে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণে হাসিমুখে টেবিল চাপড়ে তারেক রহমানের অভিনন্দন

আওয়ামী লীগ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছিল: সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

এমপি-মন্ত্রীদের কথাবার্তায় সতর্ক হওয়ার কড়া নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের


খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।