সেবা ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ২০০১ সালে ক্ষমতা ছাড়ার সময় আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করে গিয়েছিল।
![]() |
| আওয়ামী লীগ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছিল: সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন |
২০০১ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর করে, তখন তারা পুরো দেশের গায়ে দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার তকমা লাগিয়ে গিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপ্রধান মো. সাহাবুদ্দিন।
আজ বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ নবগঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের একদম প্রথম অধিবেশনে আনুষ্ঠানিক ভাষণ প্রদানকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো স্মরণ করিয়ে দেন।
তিনি জানান, দুই দশকেরও বেশি সময় আগে আওয়ামী লীগের শাসনামলে দেশ যখন দুর্নীতির চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তার পরপরই বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকার এই অনিয়ম রোধে নানামুখী কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে। রাষ্ট্রপতির ভাষ্যমতে, রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে দুর্নীতি নির্মূল করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপির নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় অতীত ইতিহাস রয়েছে।
রাষ্ট্রপতির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ সালের জুন মাসে সাবেক সরকার বিদায় নেওয়ার পর একই বছরের অক্টোবর মাসে বিএনপি যখন রাষ্ট্র পরিচালনার ভার গ্রহণ করে, তখন তারা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক আইন পাস করা হয়। মূলত তাদের নেওয়া এসব যুগান্তকারী পদক্ষেপের কারণেই বাংলাদেশ দুর্নীতিতে শীর্ষস্থান দখলের চরম কলঙ্ক থেকে নিজেকে মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছিল। এমনকি ২০০৬ সাল শেষ হওয়ার আগেই বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ এশিয়ার উদীয়মান বাঘ হিসেবে নতুন করে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করে।
সংসদীয় অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় রাষ্ট্রপতি সাম্প্রতিক সময়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, ২০২৪ সালে যে বিশাল গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল, তার প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল স্বৈরাচারী ব্যবস্থার মূলোৎপাটন করে সাধারণ মানুষের ভোটের মাধ্যমে একটি জবাবদিহিমূলক প্রশাসন তৈরি করা। একইসাথে বৈষম্যমুক্ত এবং ন্যায়বিচারের ওপর ভিত্তি করে একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্নও সেখানে ছিল। সাধারণ ছাত্র-জনতার সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্যই রাষ্ট্রের সবচেয়ে জরুরি খাতগুলোকে নতুন করে সাজাতে ইতোমধ্যে এগারোটি আলাদা সংস্কার কমিশন তৈরি করা হয়েছে।
আপনার অসম্পূর্ণ লাইনটির সূত্র ধরে তিনি আরও যোগ করেন যে, বর্তমান প্রশাসনেরও সবচেয়ে প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্য হলো দেশ থেকে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতি দূর করা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি সাধন করা।
সূত্র: /সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশ্যে আপোষহীন
জাতীয়- নিয়ে আরও পড়ুন







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।