![]() |
| কুঁড়ি বিলের বুকজুড়ে লাল শাপলার গালিচা, গারো পাহাড়ঘেঁষা বকশীগঞ্জে দর্শনার্থীদের ঢল |
কুঁড়ি বিলের বুকজুড়ে লাল শাপলার গালিচা, গারো পাহাড়ঘেঁষা বকশীগঞ্জে দর্শনার্থীদের ঢল
শরতের নীল আকাশ, মেঘের ভেলা আর চারপাশের সবুজের সমারোহের মাঝে এক অপরূপ রূপ ধারণ করেছে জামালপুরের বকশীগঞ্জ। উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়নের সীমান্তঘেঁষা কুঁড়ি বিলের জলরাশি এখন লাল শাপলার আবহে সেজে উঠেছে। প্রকৃতির নিজ হাতে আঁকা এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই বিলে ভিড় করছেন শত শত দর্শনার্থী।
গারো পাহাড়ের পাদদেশঘেঁষা এই প্রত্যন্ত বিলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও রূপসী বাংলাপ্রেমী মানুষ পরিবার কিংবা বন্ধুদের নিয়ে ছুটে আসছেন। ভোরের স্নিগ্ধ আলো কিংবা বিকালের মিষ্টি রোদে নৌকায় চেপে মাইলের পর মাইল লাল শাপলার গালিচায় ভেসে বেড়াচ্ছেন তারা।
স্থানীয়রা জানান, কুঁড়ি বিলের উত্তরাংশের প্রায় ১০০ একর জমিজুড়ে এবার প্রাকৃতিক নিয়মে বিপুল পরিমাণ লাল শাপলা ফুটেছে। একসময়ের বিশাল এই ঐতিহ্যবাহী বিলে কালক্রমে মৎস্য প্রকল্পের দাপট বাড়লেও, উত্তরাংশের এই অংশটি যেন বিলে প্রকৃতি ফিরিয়ে এনেছে পুরোনো রূপ।
নৌকায় ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি মোবাইল ফোনে স্মৃতি ফ্রেমবন্দি করছেন আগতরা। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দর্শনার্থীদের আগমনকে কেন্দ্র করে বিলের পাড়ে গড়ে উঠেছে চা, কফি, ফুচকাসহ রকমারি খাবারের চটজলদি দোকান। ফলে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মুখে ফুটেছে হাসি, তৈরি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান।
স্থানীয় পরিবেশপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের মতে, নিরাপদ নৌযান, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, স্যানিটেশন ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা গেলে বকশীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কুঁড়ি বিল হতে পারে উত্তরবঙ্গের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন পর্যটন কেন্দ্র।







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।